২০২৪ সালের নির্বাচনে মন্ত্রী হওয়ার জন্য প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু জনগণের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ক্ষমতায় গেলে গজব হবে বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
আজ শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) নির্বাচন বর্জনের যৌক্তিকতা তুলে ধরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ড. কামাল হোসেনের ফাঁদে পড়ে বিএনপি ভোটে যায়। এতে আওয়ামী লীগ জিতে ক্ষমতা আরও পাকাপোক্ত করে।
ভোট বর্জনের আহ্বান জানিয়ে অলি আহমদ বলেন, বাংলাদেশকে বিদেশিদের হাতে বন্ধক দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। জনগণ যাকে চায়, তারা পছন্দ অনুযায়ী ভোট দেবে। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রত্যেকের ঘরে গিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভোট কেন্দ্রে না গেলে মামলা হামলা করবে বলা হচ্ছে। গরিবদের ৫০০ ও ১ হাজার টাকা দেওয়া হবে। সরকারি কর্মকর্তা যারা নির্বাচনী দায়িত্বে তাদের বলা হয়েছে ৬০ শতাংশ ভোট কাস্ট করতে হবে। হাজার কোটি টাকা বিরতণ করা হচ্ছে। ঘরে বসে থাকুন, ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছেন বিএনপির অবস্থা হেফাজতের থেকে খারাপ হবে। জামায়াতের মতো অবস্থা করতে চেয়েছিল ২৮ তারিখে। আব্দুর রাজ্জাক (কৃষিমন্ত্রী) বলেছেন- বিএনপিকে সাজা না দিলে ভোট করতে পারত না। সবাইকে জেলে নিক্ষেপ করা হয়েছে। দেশকে ও দেশের জনগণকে বাঁচান। ভাগাভাগি বন্ধ করেন। নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভোট দেওয়া হলো দেশের আত্মহত্যা করা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
