দুধ সম্মিলিত পুষ্টি সরবরাহ করে। এক গ্লাস দুধ পুষ্টিতে ভরপুর। তবে কেবল এক গ্লাস দুধই যথেষ্ট নয়। দুধের পুষ্টিগুণ বাড়াতে এতে আরও কিছু উপাদান মেশানো যেতে পারে। এগুলো দুধের পুষ্টিগুণের পাশাপাশি দেহেও দেবে কার্যকর ফলাফল।
যেসব উপকরণে দুধ হবে আরও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ:
দুধে দারুচিনি
দুধে এক চিমটে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এটি আপনার দুধের স্বাদ বাড়িয়ে তুলবে। দারুচিনি শারীরিক প্রদাহ কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
দুধ-মধু
দুধের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বাড়ানোর জন্য এতে এক চামচ মধু মেশাতে পারেন। মধু মেশানো দুধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানে ভরপুর। সর্দি-কাশির সমস্যা এড়াতে আপনি দুধে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
হলদি-দুধ
এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে দুধ পান করলে মিলবে হাজারো উপকারিতা। হলদি-দুধের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এই পানীয় দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে।
জাফরানি দুধ
অনেকে দুধের গন্ধ সহ্য করতে পারেন না, সেক্ষেত্রে দুধে অল্প একটু জাফরান দিলে দুধের রং-গন্ধ হবে দারুণ। নিয়মিত জাফরান-দুধ খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
দুধ-চিয়া
এক চামচ চিয়া সিড মেশাতে পারেন দুধে। এটি একটি পুষ্টিকর খাবার। চিয়া সিডের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে। চিয়া সিড মেশানো দুধ খেলে কাজের এনার্জি পাবেন, পেট ভর্তি থাকবে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমবে।
দুধে আদাগুঁড়ো
দুধে শুকনো আদার গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ভরপুর। সর্দি-কাশিতে ভুগলে, গলার সমস্যা থাকলে শুকনো আদার গুঁড়ো মিশিয়ে দুধ পান করুন।
আমন্ড দুধ
দুধে মেশাতে পারেন এক চামচ আমন্ডের গুঁড়ো। আমন্ডের মধ্যে ভিটামিন ই রয়েছে, যা ত্বকের দেখভাল করে। এছাড়া আমন্ডের গুঁড়ো দিয়ে দুধ খেলে আপনার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।
