সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে লতিফ সিদ্দিকীর পেটানোর হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। গতকাল শনিবার টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলন হয়।
এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের আওয়ামী লীগের পরাজিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।
মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, নির্বাচনের দিন থেকেই সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর অনুসারীরা কালিহাতীতে সন্ত্রাসী কর্মকা- চালিয়ে আসছিল। নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ি-ঘরে হামলা ও মারধর করেছে লতিফ সিদ্দিকীর অনুসারীরা। আতঙ্কে অনেকেই বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এসব ঘটনায় কালিহাতী থানা ও টাঙ্গাইল কোর্টে একাধিক মামলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়ী হয়ে গত ৯ জানুয়ারি লতিফ সিদ্দিকী অবৈধভাবে কালিহাতী থানা ঘেরাও করেন। এ সময় তিনি মামলার তালিকাভুক্ত আসামিদের ছাড়াতে পুলিশের ওপর অবৈধভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। একই সঙ্গে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় আব্দুর রাজ্জাক সম্পর্কে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন বক্তব্য দেন; যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত ও চরম অপমানকর।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কালিহাতী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী বিকম, সিনিয়র সহসভাপতি ও দশকিয়া ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান, নাগবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম বিপ্লব, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি শিপলুসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এমপি নির্বাচিত হন আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী। তিনি ভোট পান ৭০ হাজার ৯৪০। অন্যদিকে ৫৪ হাজার ৭৫ ভোট পেয়ে পরাজিত হন নৌকার প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।
