ইসরায়েলের হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় আরও ১৮৩ জন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে গাজায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৬ হাজার ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, গত একদিনে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩৭৭ জন আহত হয়েছেন। মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪ হাজার ৪৮৬ জনে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এই বাস্তবতায় আজ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন নিয়ে রায় দিতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। রায় ঘোষণার আগে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি করতে পারে জাতিসংঘের শীর্ষ আদালত।
বিচারক পরিষদ ইসরায়েলকে কেবল আন্তর্জাতিক আইন মেনে কার্যক্রম চালানোর নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। সেইসঙ্গে, তারা যেন খাবার, পানি ও ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো বাধা না দেয়, তা নিশ্চিত করার জন্য বলতে পারে।
আন্তর্জাতিক আদালতের কেবল পরামর্শমূলক মত দেওয়ার ক্ষমতা আছে। রায় আইনি প্রক্রিয়ায় দেওয়া হলেও সেটি প্রয়োগে এই আদালত জোর করতে পারে না।
তবে এই রায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক-রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। তাদের শক্তিশালী আন্তর্জাতিক মিত্রদের ওপরও চাপ বাড়বে। প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিতের তাগিদও থাকতে পারে এই রায়ে।
গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে গত ২৯ ডিসেম্বর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও গণহত্যার অভিযোগের বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরায়েল। তারা বলেছে, দক্ষিণ আফ্রিকা সত্যকে বিকৃত করেছে। ইসরায়েল আরও বলেছে, তাদের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে এবং তারা হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়ছে, ফিলিস্তিনের বেসামরিক মানুষদের বিরুদ্ধে নয়। বিচারকদের দক্ষিণ আফ্রিকার অনুরোধ খারিজ করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল ইসরায়েল।
