ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চাইছে না যু্ক্তরাষ্ট্র। তবে নিজেদের সেনাদের রক্ষার জন্য তারা ‘সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। সোমবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ‘জর্ডানে তিন সাহসী মার্কিন সেনার মৃত্যু এবং আহত অন্যান্য সৈন্যদের জন্য আমার ক্ষোভ এবং দুঃখ দিয়ে (কথা) শুরু করা যাক।’
পেন্টাগনে ন্যাটো সেক্রেটারি জেনারেল জেনস স্টলটেনবার্গের সাথে বৈঠকের শুরুতে অস্টিন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) ও আমি মার্কিন বাহিনীর ওপর কোনো ধরনের হামলা সহ্য করব না এবং আমাদের সৈন্যদের রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেব।’
তবে বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা উত্তেজনাকর এই পরিস্থিতি আরও বাড়াতে চান না। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানও যুদ্ধ চায় না বলে ইঙ্গিত দিয়েছে পেন্টাগন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যেমন গতকাল বলেছেন, আমরা প্রতিক্রিয়া জানাব এবং সেই প্রতিক্রিয়া বহুস্তরের হতে পারে, পর্যায়ক্রমে আসতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চলতে পারে।’
পেন্টাগনের মুখপাত্র সাবরিনা সিং সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা অবশ্যই যুদ্ধ চাই না এবং সত্যি বলতে আমরা দেখতে পাচ্ছি না যে, ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধ করতে চায়।’
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগ সমন্বয়কারী জন কিরবি বলছেন, ‘আমরা সামরিক উপায়ে সংঘাত চাইছি না।’
গত রবিবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে জর্ডানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সিরিয়া সীমান্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সেনাঘাঁটিতে ব্যাপক মাত্রার ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে প্রাণ হারিয়েছেন তিন মার্কিন সেনা।
হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স। এই গোষ্ঠী ইরান-সমর্থিত বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরান এই হামলার জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
