চিয়া বীজ নাকি ফ্ল্যাক্সসিড কোনটা খাবেন

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:৩৯ এএম

শরীরকে ফিট রাখতে হাঁটা, যোগব্যায়াম, শারীরিক কসরত আরও কত কী! তবে এগুলোর পাশাপাশি সঠিক খাওয়াদাওয়াটাও ভীষণ জরুরি। সুস্থ সবল থাকতে অনেকেই ইদানীং রোজের খাবারে যোগ করছেন নানা প্রকার বীজ। ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের মতো পুষ্টিগুণে ভরপুর বীজগুলো। ওজন কমানো থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, বীজের সুফল কিন্তু কম নয়। কেউ খান চিয়া বীজ, আবার কেউ কেউ ভরসা রাখেন ফ্ল্যাক্সসিডে। শরীরের বাড়তি মেদ ঝরানো থেকে পেটের গোলমাল সামাল দেওয়া সবই করতে পারে এসব বীজ। আয়রন, ক্যালশিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাস প্রায় একই রকম খনিজে সমৃদ্ধ চিয়া এবং ফ্ল্যাক্সসিড। তাই অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন বীজ খেলে সর্বাধিক উপকারিতা মিলবে।

চিয়া বীজের উপকারিতা : চিয়া বীজের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ। এ ছাড়া এই বীজের মধ্যে ফাইবারও থাকে প্রচুর পরিমাণে। তাই একে পুষ্টির পাওয়ার হাউজ বলা যায়। নিয়মিত চিয়া বীজ খেলে হজমশক্তি বাড়ে, ওজন কমে, হার্ট ভালো থাকে, হাড় মজবুত হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এখন বিভিন্ন খাবারে ব্যবহার করা হচ্ছে এই বীজ। পুডিং, স্মুদি, জুস, স্যালাডের সঙ্গেও চিয়া বীজ খান অনেকে।

ফ্ল্যাক্সসিডের উপকারিতা : চিয়ার মতো ফ্ল্যাক্সসিডের মধ্যেও রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার এবং প্রোটিন। এই বীজের মধ্যে থাকা ফাইবার পেট অনেকক্ষণ ভর্তি রাখে। আর পেট ভরা থাকলে বাইরের খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও কমে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়াও, এই সুপারফুড রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমায়। ফলে হার্ট সুস্থ থাকে। এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে এই বীজে। ডায়াবেটিস থেকে বাড়তি ওজন, সব কিছুই নিয়ন্ত্রণে রাখবে চিয়া বীজের পানি।

চিয়া বীজ এবং ফ্ল্যাক্সসিড উভয়ই অত্যন্ত পুষ্টিকর। এদের উপকারিতাও অনেকটাই এক। এই দুই ধরনের বীজই হার্ট সুস্থ রাখে, রক্তে শর্করার মাত্রা কমায় এবং হজমশক্তি বাড়িয়ে তোলে। তাই রোজের খাদ্যতালিকায় এর মধ্যে কোনো একটা বীজ রাখতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত