১৫ মাসের এ্যানিকে ব্রিজের নিচে ফেলে দেন ইমরান

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:০৮ পিএম

১৫ মাসের মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করলেন ইমরান আহমেদ নামের এক ট্রাকচালক। গতকাল সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।

ইমরান সিলেটের সারিঘাট উত্তরপাড়ের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইমরান আহমদকে সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেইন আসামি ইমরানের জবানবন্দির বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, গত ২৯ জানুয়ারি গভীর রাতে ইমরান ট্রাক চালিয়ে স্ত্রী ইয়াসমিন, তিন বছরের ছেলে ও ১৫ মাসের অসুস্থ মেয়ে এ্যানিকে নিয়ে সিলেট থেকে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কাগাপাশা গ্রামের বড় ব্রিজের কাছে আসেন। এরপর মায়ের কোল থেকে টেনে নিয়ে এ্যানিকে ছুড়ে ফেলে দেন ব্রিজের নিচে। পরদিন (৩০ জানুয়ারি) পুলিশ ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। 

সোমবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝুমু সরকারের আদালতে ইমরান আহমেদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাকে  হবিগঞ্জ কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ইমরানের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার জানান, তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তারা উভয়েরই আগে বিয়ে হয়েছিল। ইয়াসমিনের আগের সংসারে তিন বছরের এক ছেলে রয়েছে। ১৫ মাস আগে এ্যানির জন্ম হয়। বনিবনা না হওয়ায় তিন মাস আগে ইমরান তাকে তালাক দেন। গ্রাম্য মুরুব্বিদের মধ্যস্থতায় শিশু কন্যার ভরণপোষণের জন্য মাসে দুই হাজার টাকা দিয়ে আসছিলেন ইমরান। ঘটনার রাতে এ্যানির অসুস্থতার খবর পেয়ে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাদের সিলেটের শাহপরান থানার দাসপাড়া থেকে ট্রাকে তুলে নেন ইমরান। এ সময় ট্রাকে হেলপার বাদল ছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত