বিভাগের শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ তুলে এর বিচারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এনিয়ে টানা ৯ দিনের আন্দোলনে রয়েছে তারা। শিক্ষার্থীদের দাবি, এমন স্পর্শকাতর ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরে যাবেন না।
অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে গত ৩১ ফেব্রুয়ারি থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। ওই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার না করা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানান তারা। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশ্বাস দিলেও মাঠে থেকেই বিচার নিশ্চিত করতে চায় তারা।
আন্দোলনের বিষয়ে রসায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী রেজাউল করিম বলেন, আমরা ওই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য আজ নবম দিনের মতো আন্দোলন করছি। আমাদের বোনকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার মতো জঘন্য ব্যক্তিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে যাতে এরকম নিকৃষ্ট কাজ কেউ করার চিন্তাও না মাথায় না আনে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরবো না। তাকে যদি শাস্তি না দেওয়া হয় আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাবো।
অবস্থান কর্মসূচিতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় আমাদের বোনের ওপর হওয়া নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিচার চাই। আমাদের দুটি দাবি, আমরা অভিযুক্ত শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কার চাই। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় বাদী হয়ে তার নামে মামলা করতে হবে। কাল তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিবে। চূড়ান্ত শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া অবধি আমরা ক্লাস বর্জন করবো।
এ ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ করেছে। কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. জরিন আখতার। আজ সোমবার কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, তদন্ত কমিটি এ ঘটনায় দিনরাত কাজ করছে। তদন্ত কমিটি প্রতিনিয়ত বৈঠক করে যাচ্ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও তাদের তদন্ত চলমান রয়েছে। আজ বা কালকের বা মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।
বিয়ে–জন্মদিনের পার্টিতে অতিথিপ্রতি ৫০ টাকা করের প্রস্তাব
বাকি টাকা চাওয়ায় ক্যান্টিন মালিকের দাড়ি ছিঁড়লেন ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; ঢাবি অধ্যাপকের কক্ষে তালা