বিচার বিভাগ ও বিচারকদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্যের জন্য আদালত অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের (একাংশ) সভাপতি নুরুল হক নুর। গতকাল বৃহস্পতিবার আইনজীবীদের মাধ্যমে হলফনামা আকারে তিনি লিখিত ব্যাখ্যা দেন। তবে অসম্পূর্ণ হওয়ায় তা গ্রহণ করেনি বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এ বিষয়ে আগামী ৬ মার্চ পুনরায় লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।
একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৭ ডিসেম্বর বিএনপি ও সমমনাদের আহুত অবরোধের সমর্থনে পুরানা পল্টন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে গণ অধিকার পরিষদ। সমাবেশে রাজনৈতিক প্রসঙ্গসহ বিএনপির নেতাকর্মীদের সাজা নিয়ে বিচারকদের উদ্দেশে মন্তব্য করেন তিনি। নুরের বক্তব্য সংবলিত প্রতিবেদন গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের নজরে আনে। ওইদিন হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি ও তাকে তলব করে।
