পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে নামাজে অংশ নেওয়া মুসল্লিদের সংখ্যা ও প্রবেশাধিকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রিয়াদভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া।
ইসলামের পবিত্রতম তীর্থস্থানগুলোর একটি আল-আকসা, যা পূর্ব জেরুজালেমের অংশ। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে তা ইসরায়েলের দখলে। অনেক বছর ধরে এই মসজিদে প্রবেশাধিকারের নিয়মগুলো বিরোধের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তা ১৮ শতাংশ ইসরায়েলি মুসলিমদের জন্যও।
ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির বলেছেন, রমজানে বেশিরভাগ মুসল্লিদের জুমার নামাজ আদায় নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবুও যারা এক লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ মুসল্লিদের প্রবেশাধিকার চেয়েছিলেন, তা ৪০ থেকে ৫০ হাজারে নেমে আসতে পারে। তবে নিরাপত্তা মন্ত্রীর এমন বক্তব্য ও প্রচেষ্টার নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। তাদের মতে, ইতামার বেন-গাভির একজন উগ্রপন্থী। তিনি ‘অগ্নিসংযোগকারী’। নিশ্চয়ই তার উপরে এমন কেউ রয়েছে যিনি তাকে উসকানি জোগাচ্ছে।
আল-আকসা মুসলমানদের কাছে হারাম আল-শরিফ এবং ইহুদিদের কাছে টেম্পল মাউন্ট হিসেবে পরিচিত। স্থানটি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষের একটি গভীর সংবেদনশীল ফ্ল্যাশপয়েন্ট। ফলে স্থানটি নিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সাধারণত রমজানের সময় বৃদ্ধি পায়। চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। প্রায়ই নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আল-আকসায় প্রার্থনাকারীর সংখ্যা সীমিত করে আসছে ইসরায়েল। এর আগে বহুবার রমজান মাসে এই স্থানটিতে সহিংস অভিযানও চালিয়েছে তারা।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে মুক্তিকামী সংগঠন হামাসের হামলার পর যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তারপর থেকে আল-আকসায় ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ইসরায়েল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আল-আকসায় ফিলিস্তিনিদের প্রবেশের পরিকল্পনার বিস্তারিত জানা যায়নি।
অসুস্থ বাংলাদেশি যাত্রীকে নিয়ে করাচিতে সৌদি বিমান
গোলা-কামান ধ্বংস করে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে জান্তা
জামিন পেলেন রাহুল গান্ধী
বিয়ের সাজে পরীক্ষাকেন্দ্রে, বাইরে অপেক্ষায় বরযাত্রী