কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে শুরু হওয়া ‘সীমান্ত হত্যা ও বিদেশি আগ্রাসন বন্ধের দাবি’র মিছিল পঞ্চগড়ে পৌঁছেছে। গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা শহরের মুক্তমঞ্চ থেকে মিছিলটি পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবে গিয়ে শেষ হয়।
নতুন আত্মপ্রকাশিতব্য বাংলাদেশ গণশক্তি পার্টির ব্যানারে প্রতীকী লাশ হাতে এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন হানিফ নামের একজন। তার সঙ্গে রয়েছেন এন ইউ আহম্মেদ, সৌরভ বেলাল ও আরিফ। কর্মসূচি যশোরের বেনাপোল উপজেলায় গিয়ে শেষ হবে।
কর্মসূচি সম্পর্কে হানিফ বলেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দুটো দেশ ভারত ও মিয়ানমার সব সময় বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। ভারত সব সময় সীমান্তে বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা করছে। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশের একজন বিজিবি সদস্যকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। গত ৪ মাসে ভারত সীমান্তে ২১ জন বাংলাদেশি বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে। আরেক প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার তাদের ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে অত্যাচার করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধে মর্টার শেলে দুজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। সীমান্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালেও আমি প্রতীকী লাশ কাঁধে নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম ফেলানীদের বাড়ি পর্যন্ত পদযাত্রা করেছি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সবসময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার পরে বলা হয় এরা গরু চোরাকারবারি। এমনটাই হলে এদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। গুলি করে হত্যা করবে কেন? ভারত তাদের দেশের পাচারকারীদের দমন করলে বাংলাদেশের পাচারকারীদের কর্মকা- এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে।
