যমুনার রুইয়ের জীবনরহস্য উন্মোচন 

আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১০:১০ এএম

প্রথমবার যমুনা নদীর রুই মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন (জিনোম সিকোয়েন্স) বাংলাদেশের একদল গবেষক। প্রায় দুই বছর গবেষণার পর জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এই সফলতা পেলেন। এতে রুই মাছের উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও গবেষণা সেলের প্রধান ড. মাহমুদুল হাছানের নেতৃত্বে একদল গবেষক রুই মাছের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আলম খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. তোফাজ্জল ইসলাম, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ফারুক হোসেন, যশোর জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মো. মোজাম্মেল হোসেন ও গবেষক দলের সদস্যরা।

ড. মাহমুদুল হাছান বলেন, ‘২০২২ সাল থেকে দুই বছর গবেষণার পর এই সাফল্য পেয়েছি আমরা। এর মধ্য দিয়ে যমুনা নদীর রুই মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচন হলো।’

গবেষকরা জানান, প্রথমে যমুনা নদী থেকে রুই মাছ সংগ্রহ করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি, জাপান এবং ভারতের সুপার কম্পিউটারে গবেষণাকাজ পরিচালিত হয়। এর মধ্য দিয়ে রুই মাছের ডিএনএ বা কৌলিক বৈশিষ্ট্যের সব তথ্য জানতে পারেন তারা। এর মাধ্যমে মাছটির জাত উন্নয়ন, সংরক্ষণ ও উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা যাবে। একইসঙ্গে এই মাছের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতেও সহায়ক হবে। জীবনরহস্য উন্মোচনের এই সাফল্য রুই মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মান বাড়াতে কাজে লাগবে। সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে রুই মাছ বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে উদাহরণ সৃষ্টি করবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত