গ্র্যামির রানীর ৪৫

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০২ পিএম

বিশ্ব সংগীতের ইতিহাসে অনন্য এক নাম বিয়ন্সে নোয়েলস। তাকে বলা হয় গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের রানী। এখন পর্যন্ত ৯৯ বার মনোনয়ন পেয়ে সর্বাধিক ৩৫টি গ্র্যামি জিতে সবার উপরে নিজের নাম লিখিয়ে বসে আছেন এই মার্কিন পপস্টার। ২০০০ সালে ডেস্টিনিজ চাইল্ডের সদস্য হিসেবে গ্র্যামির সঙ্গে তার যাত্রা শুরু। তারপর দুই দশকের বেশি সময় ধরে একের পর এক বিভাগে পুরস্কার জিতেছেন তিনি। ২০২৩ সালে ‘রেনেসাঁ’র মাধ্যমে গ্র্যামির সবচেয়ে বেশি পুরস্কার জয়ের রেকর্ড নিজের করে নেন বিয়ন্সে। দুই বছর পর ‘কাউবয় কার্টার’ দিয়ে সেই রেকর্ড আরও শক্ত করেন।

আজ ৪ সেপ্টেম্বর এই শিল্পীর ৪৫তম জন্মদিন। কেবল গায়িকাই নয়ম বিয়ন্সে একইসঙ্গে নৃত্যশিল্পী, গীতিকার, প্রযোজক, অভিনেত্রী ও ব্যবসায়ী। তিন দশকের বেশি সময় ধরে বিনোদনজগতে রাজত্ব করা এই তারকা আজ এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছেন, যেখানে তার প্রতিটি অ্যালবাম, প্রতিটি মঞ্চ পরিবেশনা কিংবা নতুন কোনো সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়।‘ক্রেজি ইন লাভ’, ‘সিঙ্গেল লেডিস’, ‘হালো’, ‘ফরমেশন’, ‘ব্রেক মাই সোল’ কিংবা সাম্প্রতিক ‘টেক্সাস হোল্ড’এম’—প্রজন্ম বদলালেও বদলায়নি বিয়ন্সের প্রভাব।

একসময় মেয়েদের ব্যান্ড ডেস্টিনিজ চাইল্ডের সদস্য হিসেবে যাত্রা শুরু করা সেই কিশোরী আজ বিশ্বের সবচেয়ে সফল সংগীতশিল্পীদের একজন। ১৯৮১ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে জন্মেছিলেন বিয়ন্সে নোয়েলস। ৪৫ বছরে পা দেওয়া এই শিল্পীর জীবন যেন এক দীর্ঘ গল্প—স্বপ্ন দেখা, কঠোর পরিশ্রম, ব্যর্থতা থেকে শেখা, ভালোবাসা, বিতর্ক, ব্যক্তিগত সংকট আর একের পর এক ইতিহাস গড়ার গল্প।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত