ফল জালিয়াতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ইমরানের দল

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৪, ০২:৫৩ এএম

পাকিস্তানের নির্বাচনের প্রকাশিত ফলের বর্ণনা সংবলিত ‘ফরম-৪৫’ জালিয়াতির অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির নেতা ব্যারিস্টার আলি জাফর গত বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য, পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের এই নথিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা লিপিবদ্ধ থাকে যা সরবরাহ করা হয় ভোটকেন্দ্রগুলো থেকে। অর্থাৎ এতে ভোট গণনার চূড়ান্ত ফল থাকে। এদিকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী। গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ও চারটি প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনের ফলের ওপর ভিত্তি করে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজ (পিএমএল-এন) নেতা শাহবাজ শরিফ। আজ শনিবার প্রেসিডেন্ট পদের নির্বাচন হবে যেখানে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা আসিফ আলি জারদারি জয়লাভ করতে চলেছেন। কারণ তাকে সমর্থন করবে পিএমএল-এন ও তার সঙ্গীরা। কিন্তু নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর কারচুপির অভিযোগে সরব রয়েছে পিটিআই। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনে তারা ১৮০টির মতো আসনে এগিয়ে ছিল। কিন্তু ‘ফরম-৪৫’ জালিয়াতি করে পিটিআই-সমর্থিত প্রার্থীদের ৯২ আসনে জয়ী দেখানো হয়েছে বলে মনে করেন ইমরান খানের অনুসারীরা।

পাকিস্তানের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য পিটিআই নেতা ব্যারিস্টার আলি জাফর গত বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘আমরা এই ব্যাপারকে (ফরম-৪৫) সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করব।’

আলি জাফর অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন ফরম-৪৫ জালিয়াতি করেছে। সেখানে থাকা তথ্য এদিক-সেদিক করেছে নির্বাচন কমিশন। 

এদিকে, পিটিআই সমর্থিত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের (এসআইসি) নেতা মাহমুদ খান আচাকজাই দাবি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যেন পিছিয়ে দেওয়া হয় যা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আজ শনিবার।

নির্বাচন কমিশনের কাছে লেখা চিঠিতে এসআইসি নেতা মাহমুদ খান আচাকজাই বলেন, যেহেতু ভোটারধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের (জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা) পর্ষদ অসম্পূর্ণ, তাই নির্বাচন যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। কারণ সংরক্ষিত আসনে এখনো পিটিআইকে বরাদ্দ করা হয়নি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত