জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদপন্থিদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ শনিবার। সেখান থেকে পার্টির নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এই সম্মেলন গঠনতন্ত্র বিরোধী বলে দাবি করেছেন জি এম কাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ডাল-পালা, লতা-পাতা নিয়ে জাতীয় পার্টির নাম ব্যবহার করে অনেকে সম্মেলন করতে পারে। অনেক কমিটি হতে পারে। তবে জি এম কাদের নেতৃত্বাধীন আমরাই মূল জাতীয় পার্টি।’
আজ শনিবার দুপুর ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন করে জাতীয় পার্টির রওশনপন্থিরা। সেখান থেকে জাতীয় পার্টির (রওশন পন্থিদের) চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ ও মহাসচিব হিসেবে কাজী মামুনুর রশীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান হিসেবে আবু হোসেন বাবলার নাম প্রস্তাব করা হলে ডেলিগেটরা মৌখক ভোটে তাকে নির্বাচিত করেন। কো-চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শহিদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, সাদ এরশাদ, গোলাম সারোয়ার মিলন ও সুনীল শুভ রায়কে।
তবে দীর্ঘদিন রওশন এরশাদের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত থাকলেও সম্মলনে উপস্থিত ছিলেন না জাপা থেকে বহিষ্কৃত মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, এস এম এম আলম ও ইকবাল হোসেন রাজু। তাদেরকে কোনো পদও দেওয়া হয়নি তাৎক্ষণিক ঘোষিত এই কমিটিতে।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে কো-চেয়ারম্যানের পদ পাওয়া সুনীল শুভ রায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিকভাবে দল গোছানোতে মনযোগ দিব। দ্রুতই কমিটি পূর্ণাজ্ঞ করা হবে। সেখানে অনেকে পদে আসবেন।’
এদিকে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন আছে মশিউর রহমান রাঙ্গা জি এম কাদেরের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। জাতীয় পার্টির রওশন ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচনের পর থেকে রাঙ্গা ও মসীহকে পাশ কাটিয়ে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন নবনিযুক্ত মহাসচিব কাজী মামুনুর রশীদ। ফলে ক্ষুব্দ হয়ে তারা সম্মেলনে আসেননি।
তবে সম্মেলনে উপস্থিত না থাকা বা কমিটিতে পদ না পাওয়ার বিষয়ে মশিউর রহমান রাঙ্গা সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি রংপুরে আছেন বলে জানান। সম্মেলনে না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নো কমেন্টস।’
কাল থেকে ৬৫০ টাকায় মিলবে গরুর মাংস
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান রওশন, মহাসচিব মামুন