ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের ২৩১টি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে গতকাল শনিবার। এসব নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। অধিকাংশই ছিল উপনির্বাচন। সকাল ৮টায় নির্বাচন শুরু হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘কুমিল্লায় দু-একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা নির্বাচনটা ম্যানেজ করার জন্য নির্বাচন কমিশনারদের দায়িত্ব বণ্টন করে দিয়েছি। আমাদের দৃষ্টিতে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কোনো অভিযোগ আমরা এখনো পাইনি যে প্রভাব খাটানো হয়েছে, হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কেন্দ্রের বাইরে গোলাগুলি হয়েছে। তবে কেন্দ্রের ভেতরে ভোট প্রভাবিত হয়নি।’
এ সময় নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘প্রত্যেক প্রার্থীই কমবেশি শক্তি প্রয়োগ করেছেন। ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যারা এ কাজ করেছেন, তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা বলেছিলাম যাকে পাওয়া যায়, তাকেই যেন গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। পরে কোনো অভিযোগ পাইনি। কুমিল্লায় বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৩৫ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে।’
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ময়মনসিংহে ৪৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিকেল ৪টার পরও ওখানে একটা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোট চেয়েছিলাম। ভোটকেন্দ্রের বাইরে যে ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা হয়। সার্বিকভাবে আমরা বলতে পারি ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে।’
বরগুনার আমতলীতে ৬০ শতাংশের মতো এবং পটুয়াখালীতে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। প্রত্যাশিত সুন্দর, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। কোথাও কোনো কেন্দ্র বা ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়নি।’
