গত পাঁচ বছরে ইউরোপে অস্ত্র আমদানি দ্বিগুণ হলেও অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে রাশিয়ার রপ্তানি। ইউক্রেন যুদ্ধ আংশিকভাবে ইউরোপে অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধির কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার গবেষকরা এসব তথ্য জানান।
ইউক্রেন এখন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ। আর যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে রাশিয়ার অবস্থান দখল করেছে ফ্রান্স। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) প্রতিবেদনে বিগত অর্ধ-দশকের প্রবণতা বিশ্লেষণ করে বলা হয়েছে, সামগ্রিক বৈশ্বিক অস্ত্র স্থানান্তর সামান্য হ্রাস পেলেও ২০১৯-২০২৩ সালে ইউরোপে অস্ত্র আমদানি আগের ৫ বছরের তুলনায় ৯৪ শতাংশ বেড়েছে।
এসআইপিআরআই’র গবেষক ক্যাটারিনা জোকিক বলেন, ইউক্রেন গত পাঁচ বছরে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ। এটি আংশিকভাবে ইউক্রেনের যুদ্ধের প্রভাব হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এসআইপিআরআই উল্লেখ করেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর থেকে কমপক্ষে ৩০টি দেশ ইউক্রেনে সামরিক সহায়তায় বড় ধরণের অস্ত্র সরবরাহ করেছে। তবে অন্য ইউরোপীয় দেশগুলোও অস্ত্র আমদানি বাড়িয়েছে, যার একটি বড় অংশ আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
২০১৯-২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়কালে ইউরোপে অস্ত্র আমদানির ৫৫ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ২০১৪-২০১৮ সালের তুলনায় এই আমদানি বৃদ্ধি ৩৫ শতাংশ বেশি। বেশিরভাগ ইউরোপীয় রাষ্ট্রের ন্যাটো সদস্যভুক্তি এবং এফ-৩৫ ফাইটার জেটের মতো অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদার হওয়া এই বৃদ্ধির আংশিক কারণ।
