আমার বাবাকে তোমরা ক্ষমা করে দিও, খালিদের ছেলে আরিক

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৪, ০২:২৬ পিএম

নব্বই দশকের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী খালিদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার রাতে রাজধানীর গ্রিন রোডের বাসায় বুকে ব্যথা অনুভব করার পরপর সংজ্ঞা হারালে তাকে কমফোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খালিদের একমাত্র ছেলে জুহাইফা আরিক মা শামীমা জামানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে থাকেন। সেখান থেকেই আরিক বললেন, আমার বাবা কমপ্লিটলি হেলদি ছিলেন। তিনি ভালো ছিলেন। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। আমি এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলতে পারছি না। আমি পরে বলবো। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন এবং তাকে ক্ষমা করে দেবেন।

এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা জানান তিনি। 

গতকাল রাত ১১টায় ঢাকার গ্রিন রোড জামে মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে খালিদের মরদেহ নিয়ে রাতেই গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা করে স্বজনরা। রাত সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছায় খালিদের নিথর দেহ। আজ জোহরের পরে বাবা-মার পাশে তাকে সমাহিত করার কথা রয়েছে। 

আশির দশকের প্রথম দিকে জনপ্রিয় ব্যান্ড চাইমের মাধ্যমে সঙ্গীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন খালিদ। ব্যান্ডটির হয়ে বেশ কিছু অ্যালবামে গেয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে নব্বই দশকে সলো ক্যারিয়ারেও সফলতা পান।

‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণে ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’, ‘নাতি খাতি বেলা গেল’, ‘কীর্তনখোলা নদী’, ‘ঘুমাও’– এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন খালিদ।

প্রিন্স মাহমুদ, জুয়েল-বাবুর সুরে তার গানগুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে আগেই। তবে ২০১০ পরবর্তী সময়গুলোতে গানে অনিয়মিত ছিলেন খালিদ। দেশ ছেড়ে পাড়ি জমান নিউ ইয়র্কে। সম্প্রতি তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। জনপ্রিয় এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে শোবিজ অঙ্গনে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত