লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও, পুলিশের লাঠিচার্জ

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৪, ০৬:৩৮ পিএম

গাইবান্ধায় ফুলছড়িতে জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত নুরুন্নবী মিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবিতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় অভিযোগ তাদের। পরে নুরুন্নবীর স্বজনরা উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করে।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকালে ফুলছড়ি থানা ঘেরাও করেন নিহত নুরুন্নবীর স্বজন ও স্থানীয়রা।

জানা গেছে, ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ বুড়াইল গ্রামের বাসিন্দা নুরুন্নবী মিয়ার সাথে প্রতিবেশী গোলজার মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। সোমবার (১৮ মার্চ) সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে নুরুন্নবী মিয়া কাজ করতে যায়। এ সময় প্রতিপক্ষ গোলজার মিয়া ও তার লোকজন নুরুন্নবীর ওপর হামলা করলে উভয় পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নুরন্নবী মিয়াসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় নুরুন্নবী মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার ভোরে মারা যান।

নিততের স্বজনরা হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে লাশ নিয়ে মঙ্গলবার সকালে ফুলছড়ি থানায় গেলে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা থানা ঘেরাও করলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লাঠিচার্জ করেন। পরে পুলিশ তাদের  ছত্রভঙ্গ করে মরদেহ নিয়ে  ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠায়।

ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাফিকুজ্জামান বসুনিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় নিহত নুরুন্নবীর ভাই সফু মিয়া বাদী হয়ে ১৮ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এজাহার নামনীয় প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লাঠিচার্জের অভিযোগের বিষয়ে ওসি বলেন, সকালে নিহতের স্বজন ও গ্রামবাসীরা লাশ নিয়ে থানায় এসে বিশৃঙ্খলার চেষ্টার করে। পরে তাদের শান্তনা দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। লাঠিটার্চের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত