গৃহবধূকে মারধর করা সখীপুরের সেই চেয়ারম্যান কারাগারে

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৪, ০৫:৩২ পিএম

টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রতিবেশী এক গৃহবধূকে মারধর করা সেই চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। কারাগারে পাঠানো নুরে আলম মুক্তা উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর-নাগরপুর আমলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তা। পরে আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেট নওরীন করিম জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।

টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক মো. তানভীর আহম্মেদ বলেন, সখীপুরের বহুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এক গৃহবধূকে মারধরের মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।

গত শনিবার (২ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওর্য়াডে মারধরের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুক্তভোগী নারীকে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন ওই নারী। একই এলাকায় থাকেন উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। দুজনের মেয়েই স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি চেয়ারম্যানের মেয়ে ও ওই নারীর মেয়ের মধ্যে ‘তুচ্ছ ঘটনাকে’ দ্বন্দ্ব হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের স্ত্রী বিদ্যালয়ে গিয়ে ওই নারীর মেয়েকে গালিগালাজ করেন। এর বিচার চাইতে গেলে মারধরের শিকার হন ভুক্তভোগী নারী।

ভিডিও তে দেখা যায়- ভুক্তভোগী ওই নারী তার সন্তানের বিচার চাইতে প্রতিবেশী চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তার কাছে যান। এ সময় ওই নারী উত্তেজিত হয়ে কথা বলায় প্রতিবেশী রুবেল এসে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। এরপর রুবেল প্রথমে মারধর করেন। পরে চেয়ারম্যানও তাকে মারধর করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত