অবশেষে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজা উপত্যকায় জরুরিভিত্তিতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হয়েছে। এবারের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিপক্ষে কোনো যুক্তি বা ভেটো দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। যদিও এর আগে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত জাতিসংঘের সব প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছে দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন কান্ডে ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্তে তিনি বিচলিত বলে জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স।
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
মার্কিন সিনেটর জানান, গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব পাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের জেরে ইসরায়েলি প্রতিনিধি দলের যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন নেতানিয়াহু।
গাজার রাফাহ শহরে সামরিক অভিযানের বিষয়ে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি নেতাদের। রাফাহ শহরে ইসরায়েলের প্রস্তাবিত অভিযানের বিষয়ে অনেকদিন ধরেই আপত্তি জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই অভিযানের সিদ্ধান্তে অনড়।
কাউন্সিলের ১০ জন নির্বাচিত সদস্যের উপস্থাপিত এই রেজোলিউশনের পক্ষে ১৪টি দেশ ভোট দিয়েছে। অন্যদিকে সেখানে একমাত্র দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ভোটদান থেকে বিরত ছিল। এছাড়া প্রস্তাবটির বিপক্ষে কোনো যুক্তি উপস্থাপন বা ভেটো ক্ষমতারও প্রয়োগ করেনি পরাশক্তি এই দেশটি।
জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে গাজায় যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের হাতে থাকা জিম্মিদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হওয়া সত্ত্বেও গাজায় হামলা বন্ধ করবে না ইসরায়েল, জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে কাটজ বলেন, ‘ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি করবে না। আমরা হামাসকে ধ্বংস করব এবং সমস্ত বন্দিদের ঘরে ফিরে না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’
কেনো জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র
মস্কোতে হামলার পেছনে ‘উগ্র ইসলামপন্থিরা’ জড়িত, মন্তব্য পুতিনের