নেত্রকোণার পুর্বধলায় স্বাধীনতা দিবসে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতিসহ চারজন। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে শ্লোগান দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় অতর্কিত এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, পুর্বধলা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সেলায়মান হোসেন হাসিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রনি বেপারি, দপ্তর সম্পাদক সালমান হাসান ও কর্মী রুহুল আমীন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহান স্বাধীনতা দিবসের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচী সকালে শেষ হয়। পরে যারা বিছিন্নভাবে এসেছেন তারাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। দুপরে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সেলায়মান হোসেন হাসিবসহ কয়েকজন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা চলে যাচ্ছিলেন। এ সময় জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে বের হওয়ার পথে অতর্কিতে ছাত্রলীগের আরেকটি অংশের ২০-২৫ জনের একটি দল অতর্কিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হলে তাদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
আরও জানা যায়, স্থানীয় সংসদ সদস্যের এপিএস আল আমিন হোসেনের ছেলে সাব্বির আহমদের নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল আলম প্রভাত, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈম খানসহ বেশ কয়েকজন হামলা চালায়। এ ব্যাপারে কথা বলতে সাব্বির আহমদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোনটি কেটে দেন।
পূর্বধলা থানার ওসি মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফুল দেয়ার কাজ সকালেই শেষ হয়। পরে দুপুরের দিকে হাসিবের নেতৃত্বে কয়েকজন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে শ্লোগান দিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। এ সময় এক পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বুঝা যায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। আহতরা চিকিৎসা নিয়েছে। এখনও কোনো অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত সংসদ নির্বাচনে আহত ছাত্রলীগের সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী জাবির সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডক্টর আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নির্বাচনে কাজ করেছিলেন।
