ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়ী করার আশ্বাস দিয়ে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর নিকট থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বরুড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওসমান গণির বিরুদ্ধে। এখন ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই প্রার্থী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে পছন্দ মার্কা দেওয়ার কথা বলে ৫০ হাজার ৫টি কেন্দ্রে পাশ করিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৫ লাখ টাকা নেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওসমান গণি। ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে ফেল করায় সাড়ে ৫লাখ টাকা থেকে ৩ লাখ টাকা ফেরত দেন নির্বাচন কর্মকর্তা।
এই বিষয়ে ভোক্তভোগী ও চেয়ারম্যান প্রার্থী রবিউল আলম বলেন, তিনি কথা কাজে মিল রাখেননি। বাকি টাকা চাই বলে, এখন আমার ফোন রিসিভ করেন না। আমি নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেছি।
এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওসমান গণি বলেন, আমি সুষ্ঠু নির্বাচন করেছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য জয়ী হতে পারে নাই। নির্বাচনে পরাজয় হলে এমন অভিযোগ করতেই পারে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
উল্লেখ্য, গত ৯মার্চ কুমিল্লা বরুড়া উপজেলা গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে পরাজিত প্রার্থী ও ভুক্তভোগী রবিউল আলম, ঘোড়া মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেন। তার আগে তিনি গালিমপুর ইউনিয়নের দুইবারের চেয়ারম্যান ছিলেন।
