সুপার লিগে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে আরেকটু এগিয়ে গেল শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। ফতুল্লায় গতকাল দারুণ বোলিংয়ে সিটি ক্লাবকে ৮৪ রানে অলআউট করে ৯২ রানে জিতেছে শাইনপুকুর।
সাত ম্যাচের চারটিতে জেতা শাইনপুকুরের পয়েন্ট ৮। গাজী গ্রুপেরও সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট। তবে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় শাইনপুকুর আছে পয়েন্ট তালিকার ৬ নম্বরে। ১১ ম্যাচের প্রথম পর্ব শেষে সুপার লিগে উঠবে শীর্ষ ৬টি দল। অবনমন শঙ্কা আরও বাড়িয়ে সিটির এটি সাত ম্যাচে সপ্তম পরাজয়।
সকালের বৃষ্টির কারণে ৪০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে শাইনপুকুরকে ১৭৬ রানে অলআউট করার পর নিশ্চিতভাবেই এবারের লিগে প্রথম জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল সিটি। সাদিকুর রহমান ও হাসানুজ্জামানের উদ্বোধনী জুটি সেই স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল করেন ৪.১ ওভারেই ৪৭ রান যোগ করে। পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে অফ স্পিনার নাঈম আহমেদ হাসানুজ্জামানকে (৯ বলে ১৭ রান) ফেরাতেই ধসের শুরু সিটি ইনিংসে। এরপর আর ৩৭ রান যোগ করতেই অলআউট। মুকিদুল ইসলাম মুগ্ঘ ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তবে ম্যাচসেরা হয়েছেন ৫ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়া নাঈম। রিশাদ হোসেন নিয়েছেন ২ উইকেট। এর আগে শাইনপুকুরের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন তিনে নামা খালিদ হাসান।
মজিদের সেঞ্চুরিতে ব্রাদার্সের জয়
আগের ম্যাচে ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি ব্রাদার্স ওপেনার আবদুল মজিদ। পরের ম্যাচেই লিস্ট 'এ' ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। বিকেএসপিতে ৪৩ ওভারের ম্যাচে মজিদের সেঞ্চুরিতে পারটেক্সের করা ২২৪ ৮ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়ে যায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। সাত ম্যাচে এটি ব্রাদার্সের তৃতীয় জয়, সমান ম্যাচে পারটেক্সের ষষ্ঠ পরাজয়।
অভিষেকেই ৭ ছক্কা মোহাব্বতের
বিকেএসপির আরেক মাঠে ৪৩ ওভারের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে গাজী টায়ার্স করে ২৩৯/৭। অভিষিক্ত ওপেনার মোহাব্বত হোসেন করেছেন সর্বোচ্চ ৬৩ রান। ৪৭ বলের ইনিংসে তিনি মেরেছেন ৭ ছক্কা। তিনিই হয়েছেন ম্যাচসেরা। রান তাড়ায় ৩৮.২ ওভারে ১৬৬ রানে অলআউট টাইগার্স। ৬২ বলে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করেছেন অভিজ্ঞ শামসুর রহমান।
