নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, ‘এখন চারদিকে এত খাই খাই, মনে হয় মানচিত্র খেয়ে ফেলবে। আমাদের ছোট্ট এ দেশে ১৭ কোটি মানুষ না হয়ে যদি কম হতো তাহলে আমরা ঘরে বসে খেতে পারতাম। তবে আলহামদুলিল্লাহ, আমরা ভালো আছি। জনসংখ্যা বেশি সেটাই আমাদের জন্য এখন শক্তিতে পরিণত হয়েছে’।
সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
শামীম ওসমান বলেন, ‘পৃথিবীতে চারিদিকে যুদ্ধ। বড় দেশগুলো যদি বলে আগামী দুই বছর আমরা কোনো অস্ত্র বানাবো না। যদি তিন বছরের জন্য ওরা বলত আমরা অস্ত্র তৈরি করবো না তাহলে পৃথিবীর একটা মানুষকেও না খেয়ে থাকতে হবে না। আশা করি পৃথিবীর বড় বড় নেতাদের এ সেন্সটা হবে। পৃথিবীর মানুষগুলো ভালো থাকবে।'
তিনি আরও বলেন, আমি যখন তোলারাম কলেজের ভিপি ছিলাম। প্রচুর পাওয়ারফুল ছিলাম। এখনকার ১০টা এমপির চেয়েও পাওয়ার বেশি ছিল সে সময়। তবুও ৯০০ টাকার জন্য ফরম পূরণ করতে পারিনি। আমার বড় ভাই একজনের বাড়িতে গিয়েছিলেন ৯০০ টাকার জন্য, নাম বলছি না। তারা সেদিন বলেছিল বন্ধক রাখার মতো কিছু কী আছে। তখন জীবন কানাই চক্রবর্তী স্যার আমার ফরম পূরণ করে দিয়েছিলেন। আমার সইয়ে হাজারও ছেলের ফরম পূরণ হয়েছে, কিন্তু আমি আমারটা করিনি। এটাই ছিল নৈতিকতা। এখনো নৈতিকতা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই।
শামীম ওসমান বলেন, এ পৃথিবী আপনাকে কিছু দেবে না। দরকার আপনার শেষ ঠিকানায়। সত্য হলো আমাদের যেতে হবে। আমি এটা মানি। তাই প্রতি রাতে তওবা ও নামাজ পড়ে ঘুমাই। কারণ কালকে আমি বাঁচব কীনা জানি না। আমরা প্রত্যাশা নামে একটি সংগঠন করেছি। গরমের জন্য এটা আটকে আছে। তবে গরম কমলেই আমরা প্রতিটি এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করবো।
