আইপিএলে যুজবেন্দ্র চাহালের উইকেটের ডাবল সেঞ্চুরি রাঙালেন যশস্বী জয়সোয়াল সেঞ্চুরিতে পাওয়া জয়ে। জয়পুরে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ৯টি চার ও ৭ ছক্কায় সাজানো ৫৯ বলে ১০৪ রানের ইনিংস দিয়ে রাজস্থানকে সপ্তম জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স প্রথমে করতে নেমেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। ট্রেন্ট বোল্টের বলে রোহিত শর্মা আউট হন ৬ রানেই। ইশান কিশান রানই করতে পারেনি। সূর্যকুমার যাদবকে মাত্র ১০ রানে ফেরান সন্দীপ শর্মা। তিলক বর্মার সঙ্গে মোহাম্মদ নবির জুটি ৩২ রানে যেতেই আফগানকে আউট করে প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে ২০০ উইকেটের মাইলফলক ছোঁন চাহাল।
এরপর নেহালের সঙ্গে তিলক বর্মার ৯৯ রানের জুটিতে শেষপর্যন্ত ১৭৯ সংগ্রহ দাড়ায় মুম্বাইয়ের। নেহাল ৪৯ রানে আউট হলেও তিলক করে সর্বোচ্চ ৬৫। ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রানে ৫ উইকেট নেন সন্দীপ শর্মা, যা এই আইপিএলে প্রথম পাচ উইকেট শিকার।
রান তাড়ায় রাজস্থানের ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে বৃষ্টি নামে। মিনিট চল্লিশ খেলা বন্ধ থাকার পরে ফের শুরু হয়। রাজস্থানের ইনিংসে ওভার সংখ্যা অবশ্য কাটা হয়নি। পীষুষ চাওলা আঘাত হানেন রাজস্থানের ইনিংসে। বিপজ্জনক হয়ে ওঠা বাটলার (৩৫) বোল্ড হন লেগির বলে। ওপেনিং জুটিতে ৭৪ রান এনে দিয়ে যান ইংল্যান্ড অধিনায়ক। এরপর ৩১ বলে এবারের আইপিএলে তার প্রথম ফিফটি করেন যশস্বী। এরপর সঞ্জু স্যামসনের ক্যাচ ফেলেন টিম ডেভিড। এই সুযোগ নিয়ে যশস্বীকে সাহস জুগিয়ে গেছেন রাজস্থান অধিনায়ক। ১১০ রানের হার না মানা জুটিতে ৮ বল আগেই ৯ উইকেটের জয় এনে দেন তিনি। অবশ্য জয়সূচক রান করেছেন যশস্বী বাউন্ডারি মেরে। ৫৯ বলে এবারের আইপিএলে তার প্রথম ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি (সব মিলিয়ে দ্বিতীয়) ১০৪ রানে অপরাজিত থাকেন এই বাহাতি।
৮ ম্যাচের পঞ্চম হারে মুম্বাইয়ের প্লে-অফ খেলা কঠিন করে তুললো। বাকি ৬ ম্যাচের অন্তত ৪টি না জিতলে পাচ বারের চ্যাম্পিয়নরা লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিবে। অন্যদিকে রাজস্থান ৮ ম্যাচের ৭টিতে জিতে প্লে অফের দিকে আরো এগিয়ে গেলো।
