তাপপ্রবাহের কারণে দেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে সাধারণ ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তবে ক্লিনিক্যাল ক্লাস রোগীকে এসি রুমে এনে সশরীরে করতে বলেছেন। গতকাল সোমবার দুপুরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এই নির্দেশনার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মেডিকেল কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সাধারণ ক্লাসগুলো অনলাইনে হবে। তবে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রোগীদের এনে ক্লিনিক্যাল ক্লাসগুলো নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।’
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই অনলাইনে ক্লাস নিতে অভ্যস্ত আছি।’ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এ বি এম মাকসুদুল আলম বলেন, ‘এখন আমাদের পরীক্ষার মৌসুম। ক্লাসের চাপ কম। বাকি যে ক্লাসগুলো হচ্ছে, সেগুলো অনলাইনে নেওয়া সম্ভব।’
দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. এ এফ এম নুরুল্লাহ বলেন, ‘তাপমাত্রা বাড়লে এসি রুমের পাশাপাশি আমরা অনলাইনেও ক্লাস নিতে পারব।’
কম্বাইন্ড অপারেশন দরকার আনু মুহাম্মদের : ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে ট্রেনের চাকায় বাঁ পায়ের সবগুলো আঙুল থেঁতলে যাওয়া অধ্যাপক আনু মুহাম্মদকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসায় ১৮ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
গতকাল দুপুরে হাসপাতালে আনু মুহাম্মদকে দেখতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে ফোন করেছিলেন, আনু মুহাম্মদের বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। আমি ওনাকে সবকিছু বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ওনার চিকিৎসার বিষয়ে সর্বোচ্চ যা করা যায় তা করার নির্দেশ দিয়েছেন।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আনু মুহাম্মদের যে ইনজুরিটা হয়েছে এর জন্য একটা কম্বাইন্ড অপারেশন দরকার। এ জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়েছে।
