রাশিয়ার অব্যাহত হামলায় সম্মুখভাগের যুদ্ধ পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে, অনেক জায়গা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছেন ইউক্রেনের সেনারা। এমন তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের সেনাপ্রধান জেনারেল ওলেক্সান্দার সাইরস্কি।
স্থানীয় সময় রোববার বার্তা আদান–প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি। সাইরস্কি বলেন, রুশ হামলার মুখে ইউক্রেনীয় বাহিনী পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে পিছু হটেছে।
সোমবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
যুদ্ধের ময়দানে কয়েকমাস ধরেই গোলাবারুদ, সৈন্য এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সংকট মাথায় নিয়েই লড়াই করছে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা। যার দরুন ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে তারা। সম্মুখসারির যুদ্ধে নতুন মার্কিন সামরিক সহায়তা এখনও ইউক্রেনের জন্য পথ তৈরি করতে পারেনি বলছে বিবিসি।
আর এই সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে সৈন্য ও সামরিক দিক থেকে কিয়েভের চেয়ে শক্তিশালী রুশ বাহিনী। ইউক্রেনীয় বাহিনী মার্কিন অস্ত্রের সরবরাহ পাওয়ার আগ মূহুর্তে রাশিয়া সেনাশক্তি এবং অস্ত্রখাতে তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এমন অবস্থায় যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে বলছেন ইউক্রেনের সেনাপ্রধান জেনারেল সাইরস্কি। দোনেৎস্কের কিছু অবস্থান থেকে পিছু হটে প্রতিরক্ষাব্যুহ তৈরি করছেন ইউক্রেনের সেনারা।
তিনি আরও বলেন, ‘মস্কো কিছু ক্ষেত্রে কৌশলগত সাফল্য অর্জন করেছে।‘
এর আগে গতকাল রোববার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে, তাদের সৈন্যরা আভদিভকা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) উত্তরে নভোবাখমুটিভকা গ্রাম দখল করেছে।
এদিকে ইউক্রেনের সেনাপ্রধানের উদ্ধৃতি দিয়ে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা বলছে যে, কিয়েভের অনেক সৈন্যরা সম্মুখভাগের তিনটি গ্রাম থেকে পিছিয়ে নতুন অবস্থানে ফিরে এসেছে। ওইসব অঞ্চলে রাশিয়ার বাহিনী অবস্থান করছে।
তিনি আরও জানান, এসব অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিট এবং সেনাদের বিশ্রাম প্রদান ও প্রতিস্থাপন করার লক্ষ্যে নতুন করে ইউক্রেনীয় সেনাদের পাঠানো হচ্ছে।
