কক্সবাজারের পেকুয়ায় বজ্রপাতে দুই লবণচাষির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার উপকূলীয় মগনামা ইউনিয়নের কোদাইল্যাদিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নের ছড়িপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তিরা হলেন পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া এলাকার জমিরের ছেলে দিদারুল ইসলাম (৩৫) ও রাজাখালী ইউনিয়নের ছড়িপাড়া এলাকার জামালের ছেলে মো. আরমান (২৫)।
পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ চৌধুরী জানান, মগনামার কোদাইল্যাদিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোরে দিদার লবণমাঠে কাজ করতে গেলে হঠাৎ বজ্রপাতে দগ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে রাজাখালীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল জানান, গতকাল রাতে প্রচণ্ড বজ্রপাাত হয়। বৃহস্পতিবার ভোরেও বজ্রপাত অব্যাহত থাকে। রাতের বৃষ্টিতে লবণমাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হলে চাষি আরমান কাজ করতে মাঠে যান। ওই সময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে বজ্রপাতে নিহত দুই লবণচাষির পরিবারে শোকের মাতম চলছে।
উজানটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল করিম জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ভোরে উজানটিয়া ইউনিয়নের মালেক পাড়া গ্রামের মৃত হেফাজ উদ্দিনের ছেলে ইকবাল, মৃত দুলা মিয়ার পুত্র কাইছারের বসতঘর বিধ্বস্ত ও সিদ্দিক আহমদের পুত্র টিপুর দোকানঘর কাল বৈশাখীতে উড়ে গেছে। তিনি সরেজমিনে এসব বাড়িঘর পরিদর্শন করেছেন।
এ ছাড়া পেকুয়ার সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপজেলার মগনামা, রাজাখালী ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বেশ কিছু কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু তাহের জানান, বজ্রপাতে নিহত দুই লবণচাষির পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। পেকুয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে কাল বৈশাখীর তাণ্ডবে বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির তালিকা করে তাদেরও সহায়তা দেওয়া হবে।
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
১৫ বছরের কিশোরকে তুলে নিয়ে গেলেন নারী