উগান্ডাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ট্রল’ হয়। আমাদের দেশের মানুষের কাছে পূর্ব আফ্রিকার দেশটি যেন হাস্যরসের বিশেষ উপাদান। তবে সেই উগান্ডাই জিম্বাবুয়, কেনিয়াকে হারিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে আছে।
উগান্ডা বিশ্বকাপে থাকায় বাংলাদেশের একটা উপকার হয়েছে। আরও স্পষ্ট করে বললে উপকারটা হয়েছে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর।
কীভাবে? এবারের টি-টেয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে চলা ২০ দলের অধিনায়কদের মধ্যে ব্যাট হাতে সবচেয়ে কম স্ট্রাইক রেটের তালিকায় ১৯ নম্বরে আছেন শান্ত। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে স্ট্রাইক রেট ১১১.০৬।
শান্তর নিচে অর্থাৎ সবার শেষে আছেন শুধু উগান্ডার অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১০৭.৯৪। তবে উগান্ডার অধিনায়ক মাসাবা মূলত একজন বোলার।
এই তালিকায় সবার ওপরে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করামের। তার স্ট্রাইক রেট ১৫০.৬৭।
মাসাবা অধিনায়ক হিসেবে আবার সফল। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতায় পাকিস্তানের বাবর আজমের সঙ্গে তিনিই যৌথভাবে শীর্ষে। বাবর-মাসাবা দুজনেরই নেতৃত্বে পাকিস্তান ও উগান্ডা এখন পর্যন্ত সমান ৪৪টি করে ম্যাচ জিতেছে।
২০ দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৩টি ক্রিকেট বোর্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে। বাকি ৭টি বোর্ড এখনো স্কোয়াড ঘোষণা না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, সর্বশেষ বা চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজ যারা দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারাই বিশ্বকাপেও অধিনায়কত্ব করবেন।
সেই বিবেচনায় নিয়েই স্ট্রাইক রেট অনুযায়ী অধিনায়কদের ক্রমান্বয়ে রাখা হয়েছে। ১২০.৩৪ স্ট্রাইক রেট নিয়ে এ তালিকায় নাজমুলের ঠিক ওপরে, অর্থাৎ ১৮ নম্বরে আছেন পাপুয়া নিউগিনির অধিনায়ক আসাদ ভালা।
এই তালিকায় ২ থেকে ১৭ নম্বরে থাকা বাকিরা হলেন - রোভম্যান পাওয়াল (উইন্ডিজ) ১৪৪.৮১, জস বাটলার (ইংল্যান্ড) ১৪৪.৬১, রোহিত শর্মা (ভারত) ১৩৯.৯৮, সাদ বিন জাফর (কানাডা) ১৩৯.২৭, মিচেল মার্শ (অস্ট্রেলিয়া) ১৩৫.৩৫, পল স্টার্লিং (আয়ারল্যান্ড) ১৩৫.২০, মোনাঙ্ক প্যাটেল (যুক্তরাষ্ট্র) ১৩৩.৯১, রিটি বেরিংটন (স্কটল্যান্ড) ১৩২.৩২, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা) ১৩০.৫২, বাবর আজম (পাকিস্তান) ১২৯.৪২, রশিদ খান (আফগানিস্তান) ১২৮.৭৫, আকিব ইলিয়াস (ওমান) ১২৭.৩৪, কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড) ১২৩.৫২, গেরহার্ড এরাসমাস (নামিবিয়া) ১২২.৯৫, স্কট এডওয়ার্ডস (নেদারল্যান্ডস) ১২১.৫৬।
