কেন্দ্র ভাড়া ছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্র হয় না মন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ

আপডেট : ১১ মে ২০২৪, ০১:৩০ এএম

ক্যাপাসিটি চার্জ (কেন্দ্র ভাড়া) নিয়ে যেসব বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন তোলেন তাদের বলব, ‘আপনারা ক্যাপাসিটি চার্জ ছাড়া তেল, গ্যাস বা কয়লাভিত্তিক একটা ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র করে দেখান। চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, পারবেন না। বিশ্বের কোনো ব্যাংক কিংবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ শর্তে অর্থায়ন করতে রাজি হবে না।’

গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর বারিধারায় নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ক্যাপাসিটি চার্জ হলো একটা কেন্দ্রের দৈনন্দিন নির্দিষ্ট ব্যয় যেমন বেতন, ভাতা, ব্যাংক সুদ প্রভৃতি। এসব তো তাকে দিতেই হয়। সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রেও তো সরকার ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়। বিদ্যুৎ উৎপাদিত না হলেও বেতন, ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় সরকারকে করতে হয়। ক্যাপাসিটি চার্জ ছাড়া বিশে^র কোথাও বিদ্যুৎকেন্দ্র নেই। আমাদের বিশেষজ্ঞ, রাজনীতিকদের এটা কীভাবে বোঝাব? আসলে যত ভালো কাজই করি না কেন, সমালোচকরা সমালোচনা করবেই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মোট ১২ লাখ ডিজেলচালিত সেচপাম্পে সোলার বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে আড়াই শতাধিক পাম্পকে সোলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নেওয়ার কাজ শুরু করেছি। এগুলোকে মডেল ভাবা হচ্ছে। মডেল সফল হলে আওতা বাড়ানো হবে।’

সোলার ইরিগেশন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার ব্যাপারে নসরুল হামিদ বলেন, ‘সোলার পাম্পের যে খরচ, হিসাব করে দেখেছি, প্রায় ৪০ শতাংশ টাকা সরকার থেকে না দিলে তা কমার্শিয়ালি ফিজিবল হবে না। কৃষকের মুশকিল হলো, সোলার করতে গিয়ে যে জায়গাটা তার নষ্ট হবে এবং পাম্প মেরামত করতে তার যে খরচ হবে সেটা অনেক বেশি হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই হাজার ডিজেলচালিত পাওয়ার প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে গেছে। এর বিপরীতে নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র এলে আরও উৎপাদন দক্ষতা তৈরি হবে। আমরা আশা করছি, ২০২৬-২৭ সালে আমাদের আরও দুটি ভাসমান টার্মিনাল (ফ্লোটিং স্টোরেজ রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট বা এফএসআরইউ) হবে। যে প্রকল্পগুলো হাতে আছে ওই সময়ে সেগুলো শেষ হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত