সিটি করপোরেশন (সিসিক) কর্তৃক নির্ধারিত নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে এখন উত্তপ্ত সিলেট। এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। নতুন নির্ধারিত হোল্ডিং ট্যাক্সকে অযৌক্তিক আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এই প্রেক্ষাপটে সিসিকের নতুন মেয়র, আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও সাবেক মেয়র, বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী একান্ত বৈঠক করেছেন।
গত শুক্রবার (১০ মে) বিকালে সিলেটের একটি আঞ্চলিক পত্রিকার কার্যালয়ে তাদের এই বৈঠক হয়। বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করে মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী শনিবার রাতে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এটি একটি সৌজন্য বৈঠক। বৈঠকে হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’
‘সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী দায়িত্বে থাকাকালে এসেসমেন্টের মাধ্যমে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করেছিলেন, সেটাই এখন কার্যকর হচ্ছে- তাই অনেকে হোল্ডিং ট্যাক্স অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির জন্য সাবেক মেয়র আরিফুল হককে দায়ী করছেন’- এমন প্রশ্নের জবাবে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আমি কাউকে দোষারূপ করতে চাই না। হোল্ডিং ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণ একটি প্রক্রিয়ার অংশ। আগের পরিষদ এসেসমেন্টসহ কিছু কাজ এগিয়ে রেখেছিল, বর্তমান পরিষদ তা বাস্তবায়ন করছে।’
মেয়র আনোয়ারুজ্জামান আরও বলেন, নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সের ব্যাপারে ভবন মালিকের আপত্তি থাকলে তিনি নির্ধারিত নিয়মে আপত্তি জানাতে পারেন। আমরা সেটা যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করবো।’
সিসিক সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল থেকে সিটি করপোরেশন নতুন নির্ধারিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের নোটিশ দেওয়া শুরু করে। এতে সিসিকের প্রায় ৭৫ হাজার হোল্ডিংধারীর সকলেরই ট্যাক্স বেড়েছে। তবে এই ট্যাক্স বৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক বলছেন ভবন মালিকরা।
ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সর্বনিম্ন ৫ থেকে সর্বোচ্চ ৫শ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে হোল্ডিং ট্যাক্স। তাই এই ট্যাক্সের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এসেসমেন্টের মাধ্যমে সহনীয় হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ভবন মালিকরা। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনও এই দাবিতে সভা-সমাবেশ করছে।
বরিশালের ২৫ টাকার পেঁপে ঢাকায় ১০০
বৃষ্টিতে নাকাল নগরবাসী
প্রতীক বরাদ্দের আগেই উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণা