কৃষ্ণসার হরিণ শিকারকাণ্ডে ‘প্রতিশোধ নিতে’ সালমান খানকে খুনের হুমকি দেয় লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠী। গত বছর জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) জানিয়েছিল, জেলবন্দি গ্যাংস্টার বিষ্ণোই যে ১০ জনকে ‘খুনের তালিকা’য় রেখেছেন, তাদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে সালমানের নাম। তার পর থেকেই সালমানকে নানাভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন এই গ্যাংস্টার।
এর মাঝেই চলতি বছর অভিনেতার বাড়িতে গুলি চালানোর মত কাণ্ড ঘটান তারা। এই ঘটনার পর থেকে ইতিমধ্যে ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার ভাইজানের কাছে নতুন দাবি ‘অল ইন্ডিয়া বিষ্ণোই সোসাইটি’র। প্রেসিডেন্ট দেবেন্দ্র বুদিয়া জানিয়েছেন সালমান যদি ক্ষমা চান তাহলে তারা সে বিষয় নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে পারেন।
১৯৯৮ সালে জোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের ফাঁকে ১ অক্টোবর মাঝরাতে সাইফ আলি খান, টাবু, সোনালি বেন্দ্রে ও নীলমের সঙ্গে একটি মারুতি জিপসিতে বেরিয়েছিলেন সালমান।
অভিযোগ, সেই সময়েই জোধপুরের কাছে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কঙ্কনি গ্রামে নিজের রাইফেল থেকে গুলি করে দু’টি কৃষ্ণসার হরিণ মারেন তিনি। কৃষ্ণসার বিপন্ন প্রাণী। বিষ্ণোইরা কৃষ্ণসারের রক্ষক হিসেবে মনে করেন নিজেদের। সালমানের জিপসির নম্বর পুলিশকে দিয়েছিলেন তারা। বন্যপ্রাণ আইনে ২০ বছর ধরে মামলা তারাই চালিয়েছেন।
প্রায় একই সময়ে রাজস্থানে চিঙ্কারা হরিণ শিকারেরও অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। যদিও সেই মামলায় সালমানকে ছাড়পত্র দিয়েছে আদালত। যদিও এই ঘটনা ভুলতে পারেননি বিষ্ণোই সম্প্রদায়।
তাদের দাবি, বিষ্ণোই সমাজের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে সালমানকে। শুধু তাই নয়, তাদের মন্দিরে এসে ক্ষমা চাইতে হবে। শপথ নিতে হবে, ভবিষ্যতে এমন ভুল করবে না। এখানেই শেষ নয়, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কাজে ব্রতী হতে হবে। তবে তাকে ক্ষমা করার কথা ভাববে তারা।
বলিউডের যে নায়িকারা ধনী ব্যবসায়ীদের বিয়ে করেছেন
আমাকে কালো নজর দিয়ে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছে, দাবি ফারিয়ার 