সম্ভাবনা
দু’বছর যেতেই ফের চার-ছক্কার উন্মাদনায় মাততে প্রস্তুত ক্রিকেটবিশ্ব। নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলগুলোর বিশ্লেষণপূর্বক এ আয়োজনে আজ থাকছে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ আসা মানেই সবার চোখ নিবদ্ধ থাকে সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়ার দিকে। ছয়বার ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি ঘরে তোলা দলটির টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপ ট্রফির খরা কাটে ২০২১ সালে। সেবার টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলেও পরের আসরে ঘরের মাঠে রান রেটের হিসাবে বিদায় নিতে হয় সেমিফাইনালের আগেই। বিশ্বময় ফ্র্যাঞ্চাইজি আসরগুলোতে দাপট দেখিয়ে আসা অজি ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া এবারের স্কোয়াড নামের সঙ্গে ওজনেও ভারী। অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াডে অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্যরে দারুণ সমন্বয়। আর প্রয়োজনের মুহূর্তে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয় তার সাক্ষী সবশেষ ভারত বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডের দর্শন আর নব্য অধিনায়ক মিচেল মার্শের যূথবদ্ধ প্রয়াসে অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে কথা বলবে না কাউকে। অবশ্য গ্রুপে থাকা কম শক্তির দলগুলোর বিপক্ষে খেলে পরের পর্বে যাওয়াটা হতে পারে শঙ্কার বিষয়।
এক্স ফ্যাক্টর
ট্রাভিস হেড : প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অস্ট্রেলিয়া দলে সুযোগ পাওয়াটা সব সময়ই কঠিন। ২০১৬ সালে অভিষেক হওয়া সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মাত্র ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন ট্রাভিস হেড। তবে নিজের দিনে হেড কী করতে পারেন তার প্রমাণ তিনি রেখেছেন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে। ইদানীং তিনি যেন আরও বিস্ফোরক। চলতি আইপিএলে দুইশর বেশি স্ট্রাইক রেটে করেছেন পাঁচ শতাধিক রান। ফরম্যাটটা যখন টি-টোয়েন্টি, তখন অজি ইনিংসের শুরুতে দলকে হেডস্টার্ট এনে দেওয়ার দায়িত্ব বর্তাবে হেডের ওপর।
