সিলেট বিভাগে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা ২৯ লাখ, উৎপাদন মাত্র ৪ লাখ

আপডেট : ১৯ মে ২০২৪, ০৫:৩৯ এএম

সিলেট বিভাগে প্রতিদিন ২৫ লাখ ডিমের ঘাটতি রয়েছে। এই অঞ্চলে প্রতিদিন হাঁস ও মুরগির ডিমের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৯ লাখ। চাহিদার বিপরীতে সিলেটে মাত্র ৪ লাখ ডিম উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এতে দেখা গেছে, প্রতিদিন অন্তত ২৫ লাখ ডিম সিলেট বিভাগের বাইরে থেকে এনে চাহিদা মেটাতে হচ্ছে। গতকাল শনিবার সকালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ওয়ার্ল্ডস পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের (ওয়াপসা বিবি) বিভাগীয় কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, হাঁসের ডিমের পুষ্টিগুণ মুরগির ডিমের চেয়ে বেশি। এতে অন্য কোনো এলার্জেন্স নেই। দেশের ৪৫ ভাগ মানুষ প্রাণিজ প্রোটিনের ওপর নির্ভরশীল। প্রাণিজ প্রোটিনের অন্যতম উৎস হলো পোলট্রিশিল্প। অথচ সিলেট অঞ্চলে লেয়ার খামার ও পোলট্রি হ্যাচারি নেই বললেই চলে। সিলেট অঞ্চলে কর্মক্ষম যুব সমাজকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি গ্রামীণ নারীদের পোলট্রিশিল্পে নিয়োজিত করতে পারলে এই অঞ্চলে মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। পোলট্রিশিল্পেও কৃষির মতো বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ বিলের পরিবর্তে আবাসিক বিল প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে স্বল্প সুদে ব্যাংকঋণের সুবিধা বাড়াতে হবে।

সিলেট কৃষি বিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, অ্যানিমেল ও বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঁইঞা।

প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা লাকীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ওয়াপসা বিবির সহসভাপতি প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় চিফ এপিডেমিওলজিস্ট ডা. আছির উদ্দিন, ওয়েস্টার পোলট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়াপসা বিবির সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রফেসর ড. এটিএম মাহবুুব-ই-ইলাহী, প্রফেসর ড. এম রাশেদ হাসনাত প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত