সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

১১ বছর পর আবার স্মৃতিপূর্ণ ওয়েম্বলিতে ডর্টমুন্ড

আপডেট : ০১ জুন ২০২৪, ০২:১২ পিএম

বুন্দেসলিগার দল বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের লিগে অবস্থান কত নম্বরে জানেন! পাঁচ। তাতে কি! আজ রাতে তারা খেলতে নামবে ইউরোপীয় ফুটবলের সবচাইতে মর্যাদার ম্যাচ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল। ওয়েম্বলির মহারণটি ডর্টমুন্ডের চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসের তৃতীয় ফাইনাল।

১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে প্রথমবার ফাইনালে উঠেছিল তারা। মিউনিখে হওয়া সেই ম্যাচে জুভেন্তাসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে করেছিল শিরোপা উদযাপন। দ্বিতীয় দফায় ডর্টমুন্ড ফাইনাল খেলে ২০১২-১৩ মৌসুমে। আজকের মাঠেই সেবার তাদের প্রতিপক্ষ ছিল চেনা শত্রু বায়ার্ন মিউনিখ।

ওই সময়টায় বায়ার্নকে কঠিন টক্কর দিচ্ছিলেন ডর্টমুন্ড কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। আগের দু বছর জিতে নিয়েছিলেন বুন্দেসলিগা শিরোপা। সেই মৌসুমেই বায়ার্ন ঘরের লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধারের সঙ্গে জিতে নেয় চ্যাম্পিয়নস লিগ। আরিয়ান রোবেনের শেষ মুহূর্তের গোলে ১-২ ব্যবধানে নিজেদের দ্বিতীয় ফাইনাল হেরেছিল ডর্টমুন্ড।

বছর এগারো পরে এডিন তেরজিকের হাত ধরে আবার ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের চূড়ান্ত মঞ্চে সেই ওয়েম্বলিতেই বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। এবার প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। বায়ার্ন তো দূর, গোটা চ্যাম্পিয়নস লিগে সফলতার বিচারে রিয়ালের ধারে কাছে নেই কেউ। রিয়ালের সঙ্গে ডর্টমুন্ড কী করবে তা রাতেই দেখা যাবে। তার আগে বিচার করা যেতে পারে দশ বছর আগে-পরের দুই ডর্টমুন্ড দলের অবস্থা কেমন ছিল।

২০১৩ মৌসুমে ডর্টমুন্ড সবকিছু হেরেছিল বার্য়ানের কাছে। লিগে দ্বিতীয়, ডিএফবি-পোকালে কোয়ার্টার ফাইনাল, চ্যাম্পিয়নস লিগে ফা্ইনাল। এবার স্টুটগার্টের কাছে হেরে শেষ ষোলোতেই থেমেছে ডিএফবি-পোকালের গল্প। বুন্দেসলিগা শেষ করেছে পাঁচ নম্বরে থেকে।

এতে তারা সর্বনিম্ন অবস্থানে থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলা জার্মান দলের তালিকায় উঠে এসেছে দুই নম্বরে। ২০১১-১২ মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ৬ষ্ঠ হয়েও চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল চেলসি। তার পর থেকে এক যুগে এবারের ডর্টমুন্ডই ঘরোয়া লিগে সবার পিছে থাকা দল হিসেবে উঠল ফাইনালে।

এবার ভাগ্য দেবী বড় প্রসন্ন ডর্টমুন্ডের ওপর। চ্যাম্পিয়নস লিগে ডর্টমুন্ডের গোলবারে বল আঘাত করেছে ১২ বার, যার ৬টি সেমিফাইনালে পিএসজির খেলোয়াড়দের দ্বারা। ২০০৩-০৪ মৌসুমের পর যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

অপটা সুপার কম্পিউটারের মতে, ডর্টমুন্ডের রিয়ালকে হারিয়ে শিরোপা জেতার সম্ভাবনা ৩২.১ শতাংশ। ১১ বছর আগের ফাইনালে তেরজিক বসা ছিলেন সাধারণ দর্শক সারিতে, ক্লপ ছিলেন ডাগআউটে। আজ রাতে হবে উল্টো। একইভাবে পুরো ডর্টমুন্ড সমর্থক গোষ্ঠী এমনকি ক্লপ নিজেও চাইবেন, ফলটাও আসুক উল্টো হয়ে।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত