নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের ভেতরে জানালার পাশে বসা নিয়ে তর্কের জেরে এক যাত্রীর কিলঘুসিতে আরেক যাত্রী নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেইল ট্রেনের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যাত্রীর নাম ঝুমুর কান্তি বাউল (৫২)। আর তার ওপর হামলাকারী যাত্রীর নাম মঞ্জুর আহমেদ (৫৫)। তাকে পরে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করে রেলওয়ে পুলিশ।
নিহত ঝুমুর কান্তি বাউল নরসিংদী শহরের বীরপুর এলাকার প্রত্যুত কুমার বাউলের ছেলে। অন্যদিকে আটক হওয়া যাত্রী মঞ্জুর আহমেদ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মৃত হাফেজ মিয়ার ছেলে ।
রেলওয়ে পুলিশ এবং নিহতের স্বজন ও বন্ধুরা জানান, ঝুমুর কান্তি বাউল রাজধানী ঢাকায় মিরপুর ডিএইচএস এলাকার ইনফেসন নামে একটি গার্মেন্টস কোম্পানির সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার হিসেবে চাকরি করতেন। প্রতিদিন তিনি নরসিংদীর বীরপুর এলাকার বাড়ি থেকে ঢাকা মেইল ট্রেনে গিয়ে অফিস করতেন। প্রতিদিনের মতো গতকাল সকাল ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে ট্রেনটি নরসিংদী রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। ঝুমুর কান্তি বাউল নরসিংদী থেকে ট্রেনটির পেছনের বগিতে ওঠেন। ট্রেনে উঠে তিনি জানালার পাশের সিটে বসতে চাইলে ওই সিটে থাকা যাত্রী মঞ্জুর তাকে বাধা দেন। ঝুমুর হার্টের রোগী বলে জানালেও মঞ্জুর কথা শোনেননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মঞ্জুরের এলোপাতাড়ি কিলঘুসিতে ঝুমুর গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে ট্রেন থেকে নামিয়ে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
