মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

গৌরনদীতে বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ১৫

আপডেট : ১১ জুন ২০২৪, ০১:২৭ এএম

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পর বিজয়ী প্রার্থীর অন্তত ১৫ সমর্থককে পিটিয়ে আহত করার পাশাপাশি তাদের ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে পরাজিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে। গত রবিবার রাত ৯টার দিকে দিয়াসুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। আহত পাঁচজনকে ভর্তি করা হয়েছে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রার্থী হারিছুর রহমান গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র। অন্যদিকে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মনির হোসেন মিয়া গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরাজিত প্রার্থী হারিছুর রহমানের দুই থেকে আড়াইশ সমর্থক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দিয়াসুর গ্রামে ঢুকে তা-ব চালায়। এ সময় তারা বিজয়ী প্রার্থী মনির হোসেনের সমর্থকদের ১৫টি বাড়ি ও ১টি দোকানে ভাঙচুর এবং লুটপাট করে। ঘণ্টাব্যাপী এই তা-বে পুরো গ্রামের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে পরাজিত প্রার্থী হারিছুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে ফলাফলের পর আমি অসুস্থ ছিলাম। ঘটনার সম্পর্কে কিছুই জানি না।’

হারিছুর রহমান আরও বলেন, ‘শুনেছি আমার সমর্থকটুকু মল্লিক ও তার ছেলে মিরাজ মল্লিককে বাড়ি যাওয়ার পথে কুপিয়ে জখম করেছেন কাউন্সিলর ইখতিয়ার ও তার সমর্থকরা। এ ঘটনার পর তাদের স্বজন ও সমর্থকরা প্রতিবাদ করতে দিয়াসুর গ্রামে গেলে সেখানে সহিংসতা হয়।’

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মনির হোসেন মিয়া বলেন, ‘হারিছুর রহমান পরাজিত হয়ে সন্ত্রাসী নিয়ে দিয়াসুর গ্রামে হামলা চালিয়ে আমার সমর্থকদের ১৫ থেকে ২০টি বাড়ি ভাঙচুরসহ লুটপাট করেছে। গ্রামে ঢুকে ঘণ্টাব্যাপী তা-ব চালায়। পরে রাতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত