ঈদে যেখানে-সেখানে পশু জবাই বন্ধে ১৪১টি নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির উদ্যোগ নেয় খুলনা সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু নির্ধারিত এসব স্থানে পশু কোরবানিতে সাড়া মেলেনি। নগরবাসীর অভিমত, উদ্যোগটি কাজে না আসায় শুধুই অর্থেরই অপচয় হয়েছে।
সরেজমিন সার্কিট হাউস মাঠের সামনের সড়ক, বড় মির্জাপুর সড়ক, খানজাহান আলী সড়ক ও নিরালাসহ নগর ঘুরে দেখা গেছে, বাসা-বাড়ির সামনে ও রাস্তার ওপরই পশু কোরবানি করেছে নগরবাসী। অনেকে আবার বাড়ির ভেতরে গ্যারেজ ও উন্মুক্ত স্থানে পশু কোরবানি করতে দেখা গেছে।
আব্দুল্লাহ আল কাফি ও সুমন আহমেদসহ কয়েকজন দেশ রূপান্তরকে বলেন, নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির জন্য ওয়ার্ড প্রতি ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। আগেই শামীয়ানা, খাটিয়া, শ্রমিকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবারহ করে স্থান প্রস্তুত রাখে কর্পোরেশন। অথচ সেখানে কোরবানির পশু জবাইয়ে মানুষের আগ্রহ নেই। মানুষ আগের মতই যত্রতত্র বাসা-বাড়ি, সড়ক ও গ্যারেজে পশু জবাই করেছে। ওইসব জায়গায় পশু নিতে কর্পোরেশনের তেমন জোর তৎপরতাও চোখে পড়েনি। ফলে অর্থের অপচয়ই হচ্ছে। কিন্তু উদ্যোগ সঠিক কাজে আসছে না।
আজ বুধবার (১৯ জুন) এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কর্পোরেশন ভেটেরিনারী সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস বলেন, কি পরিমাণ পশু নির্ধারিত স্থানে আনা হয়েছে তার হিসাব এখনও বলা সম্ভব হচ্ছে না।
অন্যদিকে, ঈদের দিন বেলা ১২টা থেকেই বর্জ্য অপসারণে নগরীতে কনজারভেন্সি বিভাগের তৎপরতা শুরু হয়। বিকাল থেকে দ্রুত কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। রাত ১০টা পর্যন্ত কেসিসির কর্মকর্তা—কর্মচারীদের বর্জ্য অপসারণে কাজ করেন।
কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান জানান, বর্জ্য অপসারণে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ৮৬০ জন শ্রমিক, বিভিন্ন সাইজের ৭৬টি ট্রাক, গার্বেজ লোডার, পে-লোডার ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। বর্জ্য অপসারণের পর নগরীর ওয়ার্ডগুলোতে ৪ হাজার কেজি ব্লিচিং পাউডার এবং ২৪ লিটার স্যাভলন ছিটানো হয়েছে। ঈদের দিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সকল বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
