চট্টগ্রাম নগরীর জামালখানের আসকার দীঘিপাড়ে গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকের পাহাড় কাটা বন্ধে সিটি করপোরেশনের মেয়র, সিডিএ চেয়ারম্যান, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ ১৩ সংস্থাকে নোটিস দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। একই সঙ্গে পাহাড় কেটে আবাসন ১৭তলার তিন টাওয়ারে ৯২টি ফ্ল্যাট নির্মাণকারী স্বপ্নীল ফ্যামিলির সজল চৌধুরী গংকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘রেকর্ড বদলে পাহাড় সাবাড়’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। বেলা সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ দিয়েছে সংস্থাগুলোকে। নোটিসপ্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি জারি করা আদালতের আদেশ অনুযায়ী ওই পাহাড়ে সাইনবোর্ড স্থাপ ন করতে বলা হয়েছে।
বেলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস হাসানুল বান্না স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘রেকর্ড বদলে পাহাড় সাবাড়’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, পাহাড় শ্রেণির রেকর্ড পরিবর্তন করে পাহাড় কেটে ‘স্বপ্নীল ফ্যামিলি’ আবাসিক ভবন নির্মাণ শুরু করে। আরএস জরিপে তর্কিত ভূমি পাহাড়ের ঢাল, টিলা ও বাগান হিসেবে রেকর্ডভুক্ত থাকা সত্ত্বেও শর্তসাপেক্ষে ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ও ইমারত নির্মাণ কমিটির সদস্য সচিব অথরাইজড অফিসার-২। এই প্রকল্পে পরিবেশ অধিদপ্তর পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান করেনি।
এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার জন্য সিডিএ চিঠি দিলেও তা মানা হয়নি এবং কাজ চলমান রয়েছে, এতে পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই প্রকল্পের সব অনুমোদন বাতিল করে এবং ভবিষ্যতে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান থেকে বিরত থেকে আগের রেকর্ডকৃত পাহাড়ের ঢাল, টিলা ও বাগান হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করার জোর দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি তারিখে আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এ পাহাড়টির গায়ে পাহাড় হিসেবে সাইনবোর্ড স্থাপনের দাবি জানানো হয়।
