‘নকল পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে’

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২৪, ১২:২৪ এএম

নকল প্রসাধনী সামগ্রী, ওষুধ ও সিগারেট পণ্যসহ অন্যান্য নকল পণ্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে প্রচার করে জনসাধারণকে সচেতন করতে হবে। নকল প্রতিরোধে এর উৎসে যেতে হবে। উৎসে গিয়ে বন্ধ করলে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব। গত রবিবার সিলেট মহানগরীতে ‘নকল পণ্য প্রতিরোধ ও বর্জনে করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ওই সেমিনারের আয়োজন করে।

সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি তাহমিন আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী এনডিসি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় উপপরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম, বিএটিবির হেড অব করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স সাবাব আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।

সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই নকল পণ্য সাধারণত নামি-দামি ব্র্যান্ডের পোশাক, ঘড়ি ও বিভিন্ন বিলাসী পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু বাংলাদেশে খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, শিশু খাদ্য, প্রসাধনী ইত্যাদিও নকল হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক।

অনুষ্ঠানে বিএটির হেড অব করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স সাবাব আহমেদ চৌধুরী বলেন, নকল পণ্য মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু বাজারের দোকানে অভিযান পরিচালনা করলে হবে না। সোর্স বা উৎসে যেতে হবে। নকল যদি আসলেই থামাতে হয় উৎসে কাজ করতে হবে। তাহলেই নকলের তীব্রতা কমিয়ে আনা সম্ভব।

সেমিনারের বিষয়বস্তুর ওপর সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিলেট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদ।

সভায় আরও বক্তব্য দেন সিলেট চেম্বারের সহসভাপতি এহতেশামুল হক চৌধুরী, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের যুগ্ম কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় উপপরিচালক মো. ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত