লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম ফাইনাল খেলেছিলেন অনূর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে। সেই ফাইনালের ৬৯৫২তম দিনে আরও এক ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি। এবার ২০২৪ কোপার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া।
মেসির পেশাদার ক্যারিয়ারে ইউরোপে খেলেছেন বার্সেলোনা ও পিএসজির হয়ে। বর্তমানে তিনি খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে। অনূর্ধ্ব, ক্লাব ও জাতীয় দল মিলে সোমবার মেসি তার ক্যারিয়ারের ৫১তম ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন।
সেই হিসেবে মেসি গড়ে প্রতি ১৩৬ দিনে একটি করে ফাইনাল খেলেন।
৩৭ বছরের মেসি বার্সেলোনার হয়ে খেলেছেন ৩৯টি ফাইনাল। আর্জেন্টিনার হয়ে এবার কোপাসহ তার ফাইনাল হবে ১০টি। পিএসজি ও ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলেছেন একটি করে ফাইনাল।
আগের ৫০ ফাইনালের মধ্যে ৩০টি তে মেসির দল জিতেছে ৯০ মিনিটের মধ্যে। ১২টি তে হেরেছে নির্ধারিত সময়ে।
দেখে নেওয়া যাক আর্জেন্টিনার হয়ে খেলা মেসির ফাইনালগুলো কেমন ছিল -
অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে হারিয়েছিল নাইজেরিয়াকে। এরপর ২০০৭ কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ০-৩ গোলে হারে ব্রাজিলের কাছে। আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির তৃতীয় ফাইনালটি ছিল অলিম্পিকে। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারায় নাইজেরিয়াকে।
আলবিসেলেস্তেদের হয়ে মেসি প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেন ২০১৪ সালে। সেবার জার্মানি জেতে ১-০ গোলে। পরের বছর অর্থাৎ ২০১৫ কোপার ফাইনালে আর্জেন্টিনা টাইব্রেকারে হারে চিলির কাছে।
কোপার শতবর্ষ পূর্তিতে ২০১৬ তে ফের আয়োজিত হয় টুর্নামেন্টটি। সেবারও ফাইনালে আর্জেন্টিনা টাইব্রেকারে হারে চিলির কাছে। টাইব্রকারে মেসি শট মিস করেছিলেন, সেই হারের পর অবসর নিয়েছিলেন জাতীয় দল থেকে। পরে সিধান্ত বদলে দলে ফেরেন মেসি।
অবসর থেকে ফেরার পর মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে কোন ফাইনালে হারেননি। ২০২১ কোপাতে জাতীয় দলের হয়ে প্রথম শিরোপার স্বাদ পান। ফাইনালে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে হারায় ব্রাজিলকে। এরপর ২০২২ সালে ফিনালিস্সিমাতে আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারায় ইতালিকে।
২০২২-এ কাতারে মেসির ক্যারিয়ার পূর্ণতা পায় বিশ্বকাপ জয়ের মধ্য দিয়ে। ফাইনালে আর্জেন্টিনা টাইব্রকারে হারায় ফ্রান্সকে।
আলবিসেলেস্তেদের হয়ে নিজের দশম ফাইনাল মেসি জিততে পারেন কিনা সেটি হবে দেখার। তবে একজন ফুটবলার হিসেবে গড়ে প্রতি ১৩৬ দিনে একটি করে ফাইনাল খেলা কিছুটা বিষ্ময়েরও বটে।
কোন খেলা রেখে কোন খেলা দেখবেন
ইউরো থেকে উয়েফার আয় কত, ব্যয় কত
যা চেয়েছি, জীবন তার চেয়ে বেশি কিছু দিয়েছে: ডি মারিয়া