মিলেনিয়াল কাদের বলা হয়? তাদের বৈশিষ্ট্য কী?

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৪, ০৬:০২ পিএম

মিলেনিয়ালদের বলা হয় প্রকৃত বৈশ্বিক প্রজন্ম। অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল যুগে পা রাখা এই প্রজন্ম বৈশ্বিক গ্রামের বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। পার্সোনালাইজড কম্পিউটার বা পিসি ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা যোগাযোগ ও তথ্যপ্রাপ্তির ধরন পাল্টে দিতে শুরু করে। এরপরেই ঘটে মোবাইল ফোনের আবির্ভাব।

আকাশসংস্কৃতির পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের বিনোদন দোরগোড়ায় হাজির করে। খেলা ও সিনেমাকে জাতীয়বাদের মোড়কে পুরে সর্বোচ্চ উপভোগ নিশ্চিতের প্রক্রিয়ার আদর্শ ভোক্তা মিলেনিয়ালরা।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে আল-কায়েদার হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওয়ার অন টেরর’ বা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী সামরিক আগ্রাসন ও প্রশাসনিক নজরদারির পথ সুপ্রশস্ত করেছে। এরপর ইরাক যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, আফগানিস্তানে আগ্রাসন মিলেনিয়ালদের নতুন ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। চেহারাবিহীন শত্রুর মুখোমুখি এই প্রজন্ম আদর্শিক স্থবিরতার কালও পার করেছেন। মার্কিন মহামন্দার প্রভাবে চাকরির বাজারে চরম অনিশ্চয়তার মুখেও পড়তে হয়েছে মিলেনিয়ালদের।

ইউটিউব-ফেসবুক-টুইটার-হোয়াটসঅ্যাপের জন্ম হতে দেখা এই প্রজন্ম ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতিবাদের নতুন ভাষা তৈরি করেছেন। নিয়মতান্ত্রিক ও ব্যবস্থাগত দুর্নীতি, বিদ্বেষ ও অসংগতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা ও সংগঠিত হওয়ার জন্য তারা ব্যবহার করেছেন ডিজিটাল মাধ্যমকে। একদিকে যেমন দেয়ালচিত্র এঁকেছেন অন্যদিকে ফেসবুকের দেয়ালে হ্যাশট্যাগে দিয়েছেন বিপ্লবের ডাক। আরব বসন্ত কিংবা হ্যাশট্যাগ মিটু আন্দোলনের মাধ্যমে সাড়া জাগিয়েছেন।

বাংলাদেশে এই প্রজন্মের তরুণরাই ব্লগিংকে সামাজিক অসংগতি নির্দেশে হাতিয়ার বানিয়েছেন। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয় সামরিক বাহিনী। ২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ গঠনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন মিলেনিয়ালরা।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে...

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত