বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন কার্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম গতকাল ছিল অনেকটাই ঢিলেঢালা। দুপুরের আগেই বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস ত্যাগ করেন।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জনেন্দ্রনাথ সরকার। বৈঠকে তিনি কর্মীদের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় চেয়ারম্যান বলেন, ‘যার যে দায়িত্ব, সেভাবে আপনারা কাজ করবেন। আমি যদি নাও থাকি, তাহলে গ্যাস অনুসন্ধান ও অন্যান্য কাজ যেন ঠিকঠাকমতো চলে সে বিষয়ে আপনারা খেয়াল রাখবেন।’ বৈঠকের পর দুপুরের আগেই কর্মকর্তাদের অনেকেই বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।
এদিকে গ্রাহকসংক্রান্ত নানা কাজ থাকায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তাদের অনেকেই বিকেল পর্যন্ত অফিস করেছেন। অফিসে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হারুনুর রশীদ মোল্লাহ।
বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে গেলেও দুপুর ১টার দিকে সচিবালয়ে আগুন দেওয়ার গুজব এবং পরে বিদ্যুৎ ভবনে আগুন দেওয়া হতে পারে সেই আতঙ্কে সবাই অফিস ত্যাগ করেন। যদিও সচিবালয়ে আগুন দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমানসহ সব সদস্য এবং কর্মকর্তারা অফিসে ছিলেন।
পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ভৌগোলিক এলাকা বাদে, খুলনা, বরিশাল ও বৃহত্তর ফরিদপুর বিভাগের ২১ জেলা ও ২০ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তারা-কর্মচারীরা নিয়মিত অফিস করেছেন। তবে খুলনায় প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএইচএম মহিউদ্দিন তার দপ্তরে আসেন বেলা ২টার দিকে। এরপর কর্মকর্তাদের নিয়ে আড়াইটার দিকে বৈঠক করেন।
এদিকে বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে গিয়ে দেখা যায় মূল ফটক বন্ধ।
সেখান থেকে বাংলাদেশ টেলিযোগায়োগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন আহমেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস করেছেন।
