নির্বাচনী এক প্রচারণা সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, তার প্রচারশিবিরের অভ্যন্তরীণ কিছু তথ্য হ্যাকিংয়ের কবলে পড়েছে।
আর এই হ্যাকিংয়ের পেছনে ইরান সরকার দায়ী বলে অভিযোগ ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের। গতকাল শনিবার এ অভিযোগ করা হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।
মূলত মার্কিন সংবাদ আউটলেট পলিটিকোকে উদ্ধৃত করে এ খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি। ট্রাম্প অভিযোগ করার আগেই এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করে সংবাদ ওয়েবসাইট পলিটিকো।
প্রতিবেদনে সংবাস আউটলেটটি জানায়, গত জুলাই থেকেই তারা বেনামি একটি উৎস থেকে ই–মেইল পেতে শুরু করে। এসব ই–মেইলে ট্রাম্পের প্রচারশিবিরের কর্মকাণ্ডের অভ্যন্তরীণ ও প্রকৃত কিছু তথ্য ছিল।
এমনকি ট্রাম্পের রানিং মেট ওহাইও সিনেটর জেডি ভ্যান্সের অভ্যন্তরীণ গবেষণা সহ প্রচারাভিযান নথিগুলো নিয়েই কিছু তথ্য ছিল।
মাইক্রোসফটের থ্রেট অ্যানালাইসিস সেন্টার এমটিএসির এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, "গত কয়েক মাস ধরে, আমরা ইরানি হ্যাকারদের উল্লেখযোগ্য কার্যকলাপের উত্থান দেখছি।"
রিপাবলিকান দলের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছে, নথিগুলো ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশী উৎস থেকে অবৈধভাবে ওই নথিগুলো হ্যক করার চেষ্টা হয়েছিল।
ট্রাম্পের প্রচারণার মুখপাত্র, স্টিভেন চেউং বলেন, ইরানিরা জানে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে আসলে তার প্রথম চার বছরের মতোই ইরানের সন্ত্রাসের রাজত্ব বন্ধ করবেন।"
তবে বিবিসির পক্ষ থেকে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এছাড়া এ বিষয়ে অনুরোধ করা হলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা জাতিসংঘের প্রতিনিধি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
