ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনী প্রচারে ১৭৩টি বক্তৃতা দিয়েছেন, তার মধ্যে ১১০টিই মুসলিম বিদ্বেষী। বুধবার (১৪ আগস্ট) এক রিপোর্টে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একথা জানিয়েছে। তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বক্তব্যগুলোর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িতা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
তিনি তার বক্তব্যে মুসলিম জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ার মিথ্যা তথ্য ছাড়াও মুসলিমদেরকে বহুবিবাহ, ধর্মান্তরিতকরণ, অুপ্রবেশকারী হিসেবে দায়ী করেন। যার ফলে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটেছে বেড়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মোদির সমালোচনামূলক মন্তব্যের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতার কথাও নথিভুক্ত করেছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর এশিয়া ডিরেক্টর ইলেইন পিয়ারসন বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি নেতারা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানে নির্লজ্জভাবে মিথ্যা দাবি করেছেন। মোদি প্রশাসনের অধীনে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এক দশকের আক্রমণ এবং বৈষম্যের মধ্যে এই ঘৃণামূলক বক্তব্যগুলো মুসলিম, খ্রিস্টান এবং অন্যান্যদের বিরুদ্ধে নির্যাতনকে আরও স্বাভাবিক করেছে।’
জানা গেল খালেদ মুহিউদ্দীনের নতুন কর্মস্থল