ভাইরাসজনিত রোগ মাঙ্কিপক্সের সাথে লড়াই করছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক (ডি আর) কঙ্গো। ইতিমধ্যে দেশটিতে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৫৭০ জন ছাড়িয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল রজার কাম্বা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর এনডিটিভি এবং রয়টার্স।
স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার রাজধানী কিনশাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭০০ জন এবং এ রোগে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৫৭০ জন ছাড়িয়েছে।“
এই রোগের বিস্তার ঠেকাতে পুরো আফ্রিকা মহাদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা প্রয়োজন। অন্যান্য দেশের সরকারের সঙ্গে এ ইস্যুতে কঙ্গোর সরকারের আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এমপক্স ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা সবেমাত্র ইউএসএআইডি এবং মার্কিন সরকারের সাথে আলোচনা শেষ করেছি। আমি আশা করি আগামী সপ্তাহের মধ্যে আমরা ভ্যাকসিন পাব।"
এর আগে গতকাল সোমবার, জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় রয়টার্সকে ইমেইলের মাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল যে, তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতায় কঙ্গোকে এমপক্স ভ্যাকসিন এবং সূঁচ সরবরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতোমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। ইতোমধ্যে ডি আর কঙ্গোর প্রতিবেশী দেশ বুরুন্ডি, কেনিয়া, রুয়ান্ডা এবং উগান্ডাতেও এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। তাছাড়া ইউরোপের সুইডেনেও এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি আক্রান্ত ব্যাক্তির সাথে যোগাযোগসহ ঘনিষ্ঠ শারীরিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে করোনা মহামারীর মত এটি বাতাসের মাধ্যমে সহজে ছড়িয়ে পড়ার কোন প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রেসিডেন্ট হলে ইলন মাস্ককে উপদেষ্টা বানাতে চান ট্রাম্প