চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে নৌকায় আগুন লেগে ও ডুবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) রাতে ইকুয়েটর প্রদেশের এমবান্দাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় কঙ্গো নদীতে আগুন ধরে যাওয়ার পর কাঠের নৌকাটি ডুবে যাওয়ার সময় প্রায় ৫০০ যাত্রী ছিলেন।
নদী কমিশনার কম্পেটেন্ট লোয়োকো বলেন, জাহাজে এক ব্যক্তি রান্না করার সময় আগুনের সূত্রপাত হয়। সাঁতার না পেরে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান নারী-শিশুসহ বেশ কয়েকজন যাত্রী।
কয়েক ডজন লোককে বাঁচানো গেলেও বেঁচে যাওয়া অনেকে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়ে পড়েছিলেন। নিখোঁজদের সন্ধানে রেডক্রস ও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের সহায়তায় উদ্ধারকারী দলও রয়েছে।
ইকুয়েটর প্রদেশের সিনেটর জ্যঁ-পল বোকেতসু বোফিলি জানান, মোটরচালিত কাঠের নৌকাটিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর নৌকাটি ডুবে যায়।
নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে জানিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, শত শত নিখোঁজ রয়েছেন এবং দেড় শতাধিক ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন মাত্রার দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পুড়ে যাওয়া নৌকাটি থেকে বেশ কয়েকজনের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এইচবি কোকোলো নৌকাটি ইকুয়েটর প্রদেশের বোলেঞ্জ বন্দর থেকে যাত্রীদের এনগবোন্ডো গ্রামের একটি বাজারে নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হত।
কঙ্গোর নদীপথ পরিবহনের একটি প্রধান মাধ্যম, বিশেষত প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে অবকাঠামোগতভাবে অনুন্নত। এর ফলে মধ্য আফ্রিকার দেশটিতে প্রাণঘাতী নৌদুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
