বন্যার্ত মানুষের সেবায় আলেম সমাজ

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:১৭ এএম

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে লাখ লাখ মানুষের বাড়িঘর, ফসলি ক্ষেত ইত্যাদি। বন্যা সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে ফেনী জেলায়। কোথাও দাঁড়ানোর মতো জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। চারদিকে পানি আর পানি। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার জেলাও বন্যাকবলিত হয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষের রয়েছে সংগ্রামের উজ্জ্বল ইতিহাস। স্মরণকালের এই ভয়াবহ বন্যায়ও মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে মানুষ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাকে করে নৌকা-স্পিডবোট নিয়ে বন্যাপ্লাবিত এলাকার মানুষদের উদ্ধারে যান স্বেচ্ছাসেবকরা। অনেকে কাভার্ড ভ্যান, ট্রাক, পিকআপ ভরে নিয়ে যাচ্ছেন শুকনো খাবার, জরুরি ওষুধ, নিরাপদ পানি ও চাল-ডাল। অনেক জায়গায় বন্যার্তদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে নগদ অর্থ। আবার বন্যার্তদের জন্য অনেক সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দান করেছেন তাদের একদিনের বেতন। সারা দেশের মানুষ তাদের সামর্থ্য নিয়ে এগিয়ে এসেছেন বানভাসি মানুষদের পাশে।

চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে বসে নেই দেশের আলেম সমাজ। তারা বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী, জরুরি পণ্য, জামা-কাপড় ও ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দিচ্ছেন আর্থিক সাহায্যও। আলেমদের বিভিন্ন সেবা সংস্থা, সংগঠন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

বন্যাদুর্গতদের মধ্যে আলেমদের বেশ কিছু সেবা সংস্থা সহায়তার কাজ করে যাচ্ছে। এ সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বনামধন্য সেবা সংস্থা ‘আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন।’ ফাউন্ডেশনটির ত্রাণ তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। মানুষের পাশাপাশি গো-খাদ্যও বিতরণ করছেন এ সংস্থার কর্মীরা। ইতিমধ্যে এ সংস্থাটির ত্রাণ তহবিলের মোট সংগ্রহ ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। সংস্থার স্বেচ্ছাসেবকরা জানান, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে আমরা ত্রাণ দিচ্ছি। ত্রাণ বিতরণকালে শায়খ আহমাদুল্লাহ বন্যাদুর্গত ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়াসহ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির অবস্থা জিজ্ঞেস করে ঘর মেরামত করার টাকাও দেবেন বলে আশ্বাস দেন।

ত্রাণ প্রদান বিষয়ে তিনি জানান, শুকনা ও ভারী ত্রাণসামগ্রীর ব্যবস্থা করছি আমরা। চাল, তেল, খেজুর, চিঁড়া, ডাল, লবণ, চিনি, পানির বোতল, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মোমবাতি ও দেয়াশলাই ইত্যাদি দিয়ে আমরা প্যাকেট করে বিতরণ করছি।

ময়মনসিংহের জামিয়া আরাবিয়া মিফতাহুল উলুম

দেশের উল্লেখযোগ্য একটি দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া আরাবিয়া মিফতাহুল উলুম, মাসকান্দা, ময়মনসিংহ। যা মাসকান্দা মাদ্রাসা নামে মানুষের কাছে পরিচিত। ময়মনসিংহের এই মাদ্রাসার উদ্যোগে গত ২৭ আগস্ট বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জামিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন, শায়খুল হাদিস মুফতি আহমদ আলী, শিক্ষা সচিব মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং সহকারী শিক্ষা সচিব মুফতি মুহাম্মদ ইলয়াসের প্রচেষ্টায় মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মচারী, বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা মিলে বন্যার্তদের জন্য বিশেষ ত্রাণ তহবিল গঠন করেন। গত ২৬ আগস্ট পর্যন্ত ফান্ড গ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে এলাকাবাসী এবং মাদ্রাসার শুভাকাক্সক্ষীরা ব্যাপক সাড়া দিয়ে ত্রাণ তহবিলে অর্থ প্রদান করেন। গত ২৭ আগস্ট মাদ্রাসার প্রিন্সিপালের নির্দেশে মুহাদ্দিস মাওলানা জুনাইদ এবং মুফতি মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি দল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ, নরোত্তমপুর, সেনবাগ, মহিদিপুরসহ কয়েকটি দুর্গত এলাকায় ভ্যান, ভেলা এবং মাথায় ত্রাণের বস্তা বহন করে কোমর সমান পানি ভেঙে ত্রাণ বিতরণ করেন।

সেখানে কয়েকশ পরিবারে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি নগদ অর্থ সহায়তাও প্রদান করা হয়। যারা একেবারেই ত্রাণ পাননি এবং আশ্রয়কেন্দ্রেও যাননি, মহল্লার ইমাম এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের প্রাধান্য দিয়ে ত্রাণ দেওয়া হয়।

ত্রাণসামগ্রীতে ছিল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, লবণ, তেল, মুড়ি, বিস্কুট, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, লাইটার ইত্যাদি। জামিয়ার সাবেক ছাত্র দানিয়াল মুহাম্মদ আম্মারের নামে পরিচালিত সামাজিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘দানিয়াল মুহাম্মদ আম্মার ফাউন্ডেশন’ জামিয়ার এই মহতি উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে। জামিয়ার এই উদ্যোগকে আবনায়ে জামিয়া, এলাকাবাসী ও শুভাকাক্সক্ষীরা সাধুবাদ জানান এবং ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী। এ সংগঠনের একদল স্বেচ্ছাসেবী টাকা সংগ্রহ করছেন, আরেক দল কাজ করছেন বন্যাদুর্গত এলাকায়। এ সংগঠনের অধীনে নোয়াখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ১০০ স্বেচ্ছাসেবী কাজ করেছেন। সেখানে শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আমীর ইবনে আহমাদ সামাজিক মাধ্যমে জানান, ‘দেশের বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার জন্য ময়মনসিংহের ইত্তেফাকুল উলামার কেন্দ্রীয় টিম অবস্থান করছে নোয়াখালীতে। ২৩ আগস্ট শুক্রবার রাতে একটি টিম বন্যাকবলিত এলাকার উদ্দেশে রওনা হয় ময়মনসিংহ শহর থেকে। ত্রাণ সহায়তাকারী টিমটি শনিবার সারা দিন নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করে। বাড়িঘর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিভিন্ন বহুতল ভবনে আশ্রয় নেওয়া আনুমানিক ৫ শতাধিক পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।’ তিনি আরও জানান, ‘নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে ১৮টি সনাতনী পরিবার। আমরা আলেমরা তাদের সহায়তা করতে এসেছি দেখে খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলেন। বারবার বলছিলেন, আপনারা কষ্ট করে আমাদের খবর নিতে এসেছেন। নমস্কার আপনাদের।’

মারকাজুল ইসলামীর ত্রাণ তৎপরতা

১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল-মারকাজুল ইসলামী। গত ৩৬ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি মানবসেবায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সেবায় কাজ করছে আল-মারকাজুল ইসলামী। বিতরণ করছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান হামজা শহিদুল ইসলাম জানান, ‘হঠাৎ ধেয়ে আসা এই বন্যা মানুষের স্বাভাবিক জীবন চলার পথকে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে। ফলে ব্যাপকহারে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অবস্থাসম্পন্ন অনেক পরিবার বিপদে আছেন। পানির স্রোতে ভেসে গেছে বাড়ি-ঘরসহ অন্যান্য সম্পত্তি। তাই দুর্যোগময় অবস্থায় বরাবরের মতো মানুষের পাশে আছে আল-মারকাজুল ইসলামী। আমরা বন্যার শুরুতে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছি। এখন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কাজ করছি বিরতিহীন।’

তিনি আরও জানান, ‘আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে আমরা একসঙ্গে একাধিক প্রজেক্ট বাস্তবায়নে কাজ করছি। বিশেষত ত্রাণ বিতরণ, রেসকিউ, মৃতদেহ উদ্ধার ও কাফন, স্বাস্থ্যসেবায় ফ্রি মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সেবা। ইতিমধ্যে ৫ হাজার পরিবারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার, ২ হাজার পরিবারে ভারী ফুড আইটেম বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিদিন ১ হাজার পরিবারের মধ্যে ভারী ফুড আইটেম বিতরণ চলমান রয়েছে।’

মারকাজ চেয়ারম্যান জানান, ‘আমাদের টিম বন্যাকবলিত প্রতিটি উপজেলায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করছে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে বিজ্ঞ ডাক্তাররা চিকিৎসা পরামর্শ দিচ্ছেন, সেই সঙ্গে জরুরি ওষুধ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।’

জানা গেছে, আল-মারকাজুল ইসলামী ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নিয়েও পরিকল্পনা করছে। বন্যাকবলিত এলাকায় জনসাধারণ স্বাভাবিকভাবে যে বিষয়গুলোর অভাবে পরে, এর অন্যতম হলোÑ বিশুদ্ধ খাবার পানি।

আল-মারকাজুল ইসলামীর নিজস্ব লেভেলযুক্ত ৫ লিটারের ৬ হাজার বোতল পানিসহ মোট ১০ হাজার পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া পানি চলে যাওয়ার পর মারকাজ স্থায়ীভাবে ডিপ-ননডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করে জনসাধারণকে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করে দেবে ইনশাআল্লাহ।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কয়েক দফায় কেন্দ্রীয় নেতারা ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বন্যাকবলিত এলাকায় সফর করেছেন। তাদের ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

তাকওয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

মাওলানা গাজী ইয়াকুব প্রতিষ্ঠিত তাকওয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ বন্যাদুর্গতদের পাশে প্রথম থেকেই ছুটে চলেছে। প্রথমে তারা উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করে। উদ্ধার কাজ শেষে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শুরু করে। গাজী ইয়াকুব জানান, রবিবার (২৫ আগস্ট)  থেকে কুমিল্লার বুড়িচং, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর এবং নোয়াখালীর চৌমুহনীতে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস

মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস বন্যদুর্গত মানুষের সেবায় উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছে। সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, যুব মজলিশ দুর্গত এলাকায় ক্যাম্প করে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক জানিয়েছেন, ‘আমাদের সামর্থ্যরে আলোকে ত্রাণতৎপরতা পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছি। রবিবার (২৫ আগস্ট) ফেনীর সালাহুদ্দীন মোড়ের কাছে আলীমুদ্দীনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও সহযোগী সংগঠন যুব মজলিস ত্রাণতৎপরতা চালায়। সেখান থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। তিনি আশা করেন, বিভিন্ন আশ্রয় শিবির ও কাছে-দূরের দুর্গত মানুষের দোরগোড়ায় খাবার পরিবেশনের কাজ চলমান থাকবে। সেই সঙ্গে পানি সরে যাওয়া এলাকায় মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য সরবরাহের কার্যক্রমও শুরু করা হবে।

মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীর উদ্যোগ

বিশিষ্ট মুফাসসিরে কোরআন ও মারকাযুত তারবিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তাকওয়া ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা করছেন।

দুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে রবিবার (২৫ আগস্ট) কুমিল্লায় উপস্থিত হয়ে সরেজমিনে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি কুমিল্লার বুড়িচং, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর এবং নোয়াখালীর চৌমুহনীতে স্বেচ্ছাসেবকসহ ত্রাণসামগ্রী পাঠান।

এ ছাড়া ছদর ছাহেব হুজুর রহ. ফাউন্ডশন, গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, হাফিজ্জি চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশ, হাফেজ্জী হুজুর রহ. সেবা ফাউন্ডেশন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, ফী সাবীলিল্লাহ ফাউন্ডেশন, পিপলস ইমপ্রুভমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ (পিসব), ইসলামী ছাত্র মজলিস, মারকাযুল ফুরকান শিক্ষা পরিবার, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ, শাইখুল হাদীস পরিষদ, রাহমাতুল্লিল আলামিন ফাউন্ডেশন, আল খলীল এডডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল সেন্টার, বরুণা মাদ্রাসা, লক্ষ্মীপুর আলোর দিশারী ফাউন্ডেশন, আল-কাসেম ফাউন্ডেশন ও সাদাকাহ ফাউন্ডেশনসহ আলেমদের পরিচালিত আরও অনেক সেবা সংস্থা, রাজনৈতিক সংগঠন এবং একক উদ্যোগে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে আলেম সমাজ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত