সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থায় যেভাবে ভোট হয়

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১১:১৫ এএম

গত কয়েক দশক ধরে দ্বিদলীয় শাসনের বৃত্তে আটকা পড়েছে দেশ। ক্ষমতার পালাবদলে এককেন্দ্রীকরণ বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বৈরতান্ত্রিক শাসনও দেখেছে দেশের মানুষ। এ সময় কম বিতর্কিত নির্বাচনে যে দল বা জোটই সরকার গঠন করেছে, তাদের কেউই ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশর বেশি ভোট পেয়ে সরকার গঠন করতে পারেনি। অন্যদিকে ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষ যারা ভোট দিয়েছে সংসদে ও সরকারে তাদের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি।

এমন প্রেক্ষাপটে সংসদে সবার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা শ্রেয় মনে করছেন রাজনীতিক ও বিশ্লেষকদের কেউ কেউ। তারা মনে করেন, সংসদে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি চালু করা গেলে দ্বিদলীয় পদ্ধতি থেকে বের হওয়া সম্ভব। কোনো দল জাতীয় নির্বাচনে যত শতাংশ ভোট পাবে, সংসদে তারা সেই অনুপাতে আসন পাবে। 

বিশ্বব্যাপী গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধানত দুটি ব্যবস্থা বিদ্যমান। প্রথমত, একটি নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন তিনি নির্বাচিত হবেন। এ পদ্ধতিকে বলা হয় ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট। এ পদ্ধতি বাংলাদেশে চালু রয়েছে। অন্যটি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা বা প্রফেশনাল রিপ্রেজেনটেশন সিস্টেম। এ পদ্ধতিতে একটি দল যে পরিমাণ ভোট পাবে, সেই অনুপাতে সংসদে দলটির প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণ হবে। অনেক দেশে এ দুটি পদ্ধতির সমন্বিত ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩০০। এসব আসনে সরাসরি ভোট হয়। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে ভোট হলে প্রতি ১ শতাংশ ভোটের জন্য তিনটি আসন পাওয়া যাবে। যে দল ৫০ শতাংশ ভোট পাবে, তারা সংসদে আসন পাবে ১৫০টি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত